কর্মরত শিক্ষকদের টেট নিয়ে ধন্দে শিক্ষাদপ্তর
  • ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: টেট ছাড়া চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের কি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ফের পরীক্ষায় বসতেই হবে? এই প্রশ্নের উত্তর এখনই দিতে পারছে না রাজ্য সরকার। শুক্রবার বিদ্যাসাগরের জন্মদিন উপলক্ষ্যে তাঁর মূর্তিতে মালা দিতে গিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। 

Advertisement

সেখানে এই বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ভাবনাচিন্তা করছি। সংগঠনগতভাবে কিছু করা যায় কি না, সেটা দেখা হচ্ছে। তার আগে নিয়ম-কানুন ও বিধি খতিয়ে দেখতে হবে। প্রসঙ্গত, এই পদ্ধতিতে কয়েক লক্ষ শিক্ষককে ফের টেট দিতে হতে পারে বলে আশঙ্কা বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের। তবে, প্রাথমিকের নতুন নিয়োগ নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, পুজোর আগে মুখ্যমন্ত্রীর উপহার ১৩ হাজার ৪২১ চাকরি। সেখানে দ্রুত নিয়োগ হবে। পুজোর পরেই ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু হবে। কিছু অনুমোদনের বিষয় আটকে থাকার কারণেই টেট ২০২৩-এর ফল প্রকাশে দেরি হল বলে তিনি জানান। অন্যদিকে, তৃণমূলের সমস্ত শিক্ষক ও অধ্যাপক সংগঠন ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যে তাঁকে না জানিয়েই দল নিয়েছে, তা এদিন স্পষ্ট হয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর কথায়। এই বিষয়ে তিনি বলেন, আমি জানি না। পুজোর ছুটির পরে কথা বলব। আমি যেটা জানি না, সেটা নিয়ে বলতে পারব না। প্রসঙ্গত, সংগঠনগুলি শিক্ষামন্ত্রীর তদারকিতেই তৈরি হয়েছিল। অধ্যাপক সংগঠনের মাথায় শিক্ষামন্ত্রী নিজেই রয়েছেন। বৃহস্পতিবার দলের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডল থেকে সমস্ত সংগঠনের কমিটি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়।