Bartaman Logo
২৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মিড ডে মিলের বরাদ্দ, হেল্পারদের ভাতা বৃদ্ধির জন্য খুশি শিক্ষামহলে

রাজ্য বাজেটে মিড ডে মিল বরাদ্দ বাড়ানোর ফলে খাবারের পুষ্টিমান বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষকদের খুশি হওয়ার কারণ জানুন। বিস্তারিত পড়ুন।

মিড ডে মিলের বরাদ্দ, হেল্পারদের ভাতা বৃদ্ধির জন্য খুশি শিক্ষামহলে
  • ২৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর:  রাজ্য বাজেটে প্রাথমিকে মিড ডে মিলের বরাদ্দ বাড়ানোয় খাবারের পুষ্টিমান বাড়বে বলেই দাবি স্কুল শিক্ষকদের। প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবি, রান্নার গ্যাস থেকে সবজি, মুদিখানার মালের দাম বেড়েছে। কখনও কখনও ডিমের দাম মিড ডে মিলের মোট বরাদ্দের বেশি হয়ে যায়। পড়ুয়াদের পাতে দুপুরের খাবার দিতে বরাদ্দে টান পড়ত। সমস্যায় পড়তে হতো। ছাত্র প্রতি ৩ টাকা ২২ পয়সা বরাদ্দ বাড়ানোয় খাবারের পুষ্টির মান বাড়বে। অন্যদিকে মিড ডে মিলের কুক কাম হেল্পারদের মাসিক ভাতা এক হাজার টাকা বাড়ানোয় স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলারাও খুশি হয়েছেন। কুক কাম হেল্পারদের ভাতা দু’হাজার থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হয়েছে।

Advertisement

মিড ডে মিলে বরাদ্দ টাকার ৬০ শতাংশ দেয় কেন্দ্র। বাকি ৪০ শতাংশ খরচ রাজ্য সরকারের। এক বছর আগে কেন্দ্র সমগ্র শিক্ষা মিশন ৩৩ পয়সা বরাদ্দ বাড়িয়ে ৬ টাকা ৭৮ পয়সা করে। তারপর থেকে আর বরাদ্দ বাড়েনি। তখন মুর্শিদাবাদ জেলায় স্কুলগুলিতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সেইমতো প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার দেওয়া হয় ভাত, ডাল, আলু সোয়াবিনের তরকারি। মঙ্গলবার দেওয়া হয় ভাত,  পঁচ তরকারি ও মিক্সড ডাল। বুধবার ভাতের সঙ্গে ডিমের (গোটা) ঝোল দেওয়া হয়। শুক্রবার ভাত, শাক, আলু মটর, শনিবার পড়ুয়াদের পাতে দেওয়া হয় খিচুড়ি চাটনি।
১৩ নম্বর হাতীনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী বলেন, বরাদ্দ বাড়ানোয় পুষ্টিমান অবশ্যই বাড়বে। মিড ডে মিল খেতে পড়ুয়াদের আগ্রহ বাড়বে। ১ নম্বর মণীন্দ্রনগর জিএসএফপি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিভাসচন্দ্র মণ্ডল, রাজ্য সরকারের এই ঘোষনা খুবই প্রশংসনীয়। আমাদেরও দায়িত্ব হবে পড়ুয়াদের খাবারের গুনগত ও পুষ্ঠিগত মান বাড়ানোর। খাবারে পুষ্টিমান বাড়লে হাজিরাও বাড়বে।
বাজেটে শুধু মিড মিলের বরাদ্দ বাড়ানো হয়নি। একইসঙ্গে পড়ুয়াদের মুখের সামনে যাঁরা খাবার তুলে দেন তাঁদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। মিড ডি মিলের রান্না ও স্কুল পরিচ্ছন্নতার জন্য এতদিন মাসিক দু›হাজার টাকা দেওয়া হতো হেল্পারদের। দু›হাজার টাকার ১৪০০ টাকা দিত কেন্দ্র সরকার। বাকি ৬০০ টাকা দিত রাজ্য সরকার। এখন থেকে রাজ্য সরকার ৬০০ টাকার পরিবর্তে ১৬০০ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষনা করেছে। বহরমপুর পশ্চিম চক্রের তেজপাল লোহিয়া জিএসএফপি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড ডে মিলের কর্মী ছবিরানি বর্ধন বলেন, একসঙ্গে এক হাজার টাকা ভাতা বাড়ানো হবে আমরা কেউ স্বপ্নেও ভাবিনি। সরকারকে ধন্যবাদ। প্রদীপ সাহা নামে এক অভিভাবক বলেন, শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষাখাতে রাজ্য সরকারের সদর্থক ভূমিকার প্রশংসা করি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ