


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ক’দিন আগেই ২০২৬-২৭ সালের ক্যালেন্ডার প্রকাশ করেছে বিসিসিআই। সেখানে উপেক্ষিত ইডেন। কেবলমাত্র জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি ওডিআই পেয়েছে ক্রিকেটের নন্দনকানন। হাই-ভোল্টেজ বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির কোনও ম্যাচ নেই কলকাতায়। স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ শহরবাসীর। এক অনুষ্ঠানে সৌরভ গাঙ্গুলিকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। সিএবি সভাপতি অবশ্য বোর্ডের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বড় ম্যাচ আয়োজন করতে তো খুবই ভালো লাগে। সিএবি সভাপতি ও প্রাক্তন ক্রিকেটার হিসেবে অবশ্যই চাই ইডেনে আরও বেশি টেস্ট হোক। কিন্তু কলকাতায় কিছুদিন আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট হয়েছে। এরপর টি-২০ বিশ্বকাপ ম্যাচের পাশাপাশি আইপিএলও হবে। তাই বোঝা উচিত দেশের অন্যান্য মাঠগুলিতেও ম্যাচ হওয়া জরুরি।’
বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির পাঁচটি টেস্ট আয়োজিত হবে যথাক্রমে নাগপুর, চেন্নাই, গুয়াহাটি, রাঁচি ও আমেদাবাদে। এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন বোর্ড সভাপতির সংযোজন, ‘ভারতের সবক’টি ক্রিকেট মাঠই খুব সুন্দর। চেন্নাইয়ে টেস্ট হওয়ায় আমি খুব খুশি। পাশাপাশি গুয়াহাটি ও রাঁচিতেও পরিকাঠামো খুব ভালো।’ উল্লেখ্য, সৌরভ যতই বোর্ডের পাশে থাকুন না কেন, কলকাতা ও মুম্বইয়ের মত ঐতিহ্যশালী ভেন্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ না দেওয়ায় অনেকেই অখুশি। প্রাক্তন স্পিনার ভেঙ্কটপতি রাজুর বক্তব্য, ‘আমাদের সময় কলকাতা, কানপুর, চেন্নাই, দিল্লি ও মুম্বইয়ে টেস্ট হতো। এই ভেন্যুগুলিতে টেস্ট খেলার মজাই আলাদা।’ অনেকেই বোর্ডের ক্যালেন্ডারে পক্ষপাতমূলক আচরণের আঁচ পাচ্ছেন। কারণ, ভারতে যে বড় টুর্নামেন্ট বা সিরিজই আয়োজন হোক না কেন, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলে যায় আমেদাবাদে!