নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: নিজেদের গাড়ি মেরামত এবার থেকে নিজেরাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাঁশবেড়িয়া পুরসভা। এই কাজের জন্য তৈরি হচ্ছে একটি বড়সড় ওয়ার্কশপ ও গ্যারাজ। পুরসভা এই কাজের জন্য ইতিমধ্যেই প্রায় দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ওয়ার্কশপ ও গ্যারাজের মূল কাঠামো তৈরির কাজ এ মাসেই শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরকর্তারা জানিয়েছেন, ওই কাজের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ। তবে কাজ হবে কয়েক দফায়। কারণ, প্রকল্প ব্যয় অনেকটাই।
Advertisement
পুরসভায় গাড়ির সংখ্যা অনেক। সাফাই কাজের গাড়ি থেকে ট্রাইসাইকেল, জলের গাড়ি, শৌচাগার সাফাইয়ের গাড়ি— সব মিলিয়ে সংখ্যাটি প্রায় একশোর কাছাকাছি। সেইসব গাড়ি মেরামতের জন্য বিভিন্ন বেসরকারি গ্যারাজে যেতে হয়। তাতে যেমন সময় লাগে, তেমনই বাড়তি টাকা খরচ হয়। পাশাপাশি এত গাড়ি রাখার জায়গাও ছিল না। অনেক সময় আবর্জনার গাড়ি থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়। তা নিয়ে বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল। আবার, গাড়ি রাখার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় যেখানে সেখানে পার্কিং করা হয়। যেকারণে যানজট তৈরি হয়। পুরসভার একটি সূত্রের মতে, গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরি সহ নানাভাবে গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটছিল। সেই সব সমস্যাকে একসঙ্গে মিটিয়ে ফেলতে একটি বড় ওয়ার্কশপ ও গ্যারাজ তৈরির প্রকল্প হাতে নিয়েছে পুরসভা।
পুর চেয়ারম্যান আদিত্য নিয়োগী বলেন, গাড়িগুলি পুরসভার সম্পত্তি। প্রতিদিন তা দিয়ে নাগরিক পরিষেবা দিতে হয়। ফলে, সেগুলি নিরাপদে রাখা, চালু অবস্থায় রাখার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হয়। ওই কাজের জন্যই একটি ওয়ার্কশপ তৈরি করা হচ্ছে। সঙ্গে স্থায়ী পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। আমরা এই প্রকল্পের মূলপর্বের কাজ ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু করে যত দ্রুত সম্ভব শেষ করার চেষ্টা করব। পুরসভার এক অফিসার বলেন, এই প্রকল্প রূপায়ণ করতে অনেক টাকা প্রয়োজন। কিন্তু একবার কাজ শেষ হয়ে গেলে গাড়ি সারাইয়ের ঝঞ্ঝাট ও অর্থনৈতিক ব্যয়ভার অনেকখানি কমে যাবে। ফলে, প্রকল্পটি এক অর্থে পুরসভার ব্যয় সংকোচ করবে। শুধু তাই নয়, কিছু মানুষের কর্মসংস্থানও হবে। পুরসভার সম্পত্তির নিরাপত্তা জোরদার হবে।
বাঁশবেড়িয়া পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ওই প্রকল্পের জন্য জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছিল। বাঁশবেড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন জমিতে প্রায় একবছর আগে পুরসভা সীমানা প্রাচীর তুলে দিয়েছে। এবার সেখানেই স্থায়ী কাঠামো তৈরির জন্য কোমর বেঁধে নামছেন পুরকর্তারা।
পুর চেয়ারম্যান আদিত্য নিয়োগী বলেন, গাড়িগুলি পুরসভার সম্পত্তি। প্রতিদিন তা দিয়ে নাগরিক পরিষেবা দিতে হয়। ফলে, সেগুলি নিরাপদে রাখা, চালু অবস্থায় রাখার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হয়। ওই কাজের জন্যই একটি ওয়ার্কশপ তৈরি করা হচ্ছে। সঙ্গে স্থায়ী পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। আমরা এই প্রকল্পের মূলপর্বের কাজ ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু করে যত দ্রুত সম্ভব শেষ করার চেষ্টা করব। পুরসভার এক অফিসার বলেন, এই প্রকল্প রূপায়ণ করতে অনেক টাকা প্রয়োজন। কিন্তু একবার কাজ শেষ হয়ে গেলে গাড়ি সারাইয়ের ঝঞ্ঝাট ও অর্থনৈতিক ব্যয়ভার অনেকখানি কমে যাবে। ফলে, প্রকল্পটি এক অর্থে পুরসভার ব্যয় সংকোচ করবে। শুধু তাই নয়, কিছু মানুষের কর্মসংস্থানও হবে। পুরসভার সম্পত্তির নিরাপত্তা জোরদার হবে।
বাঁশবেড়িয়া পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ওই প্রকল্পের জন্য জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছিল। বাঁশবেড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন জমিতে প্রায় একবছর আগে পুরসভা সীমানা প্রাচীর তুলে দিয়েছে। এবার সেখানেই স্থায়ী কাঠামো তৈরির জন্য কোমর বেঁধে নামছেন পুরকর্তারা।



