চেন্নাই: ঈশান কিষানের ২৭০, কুমার কুশাগ্রার সেঞ্চুরি— ব্যাটারদের দাপটে এমনিতেই রানের পাহাড়ে পূর্বাঞ্চল। এবার বোলাররাও তাদের সেরাটা উজাড় করে দিচ্ছে। তার জেরে ৭০৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণাঞ্চলের স্কোর ৬ উইকেটে ২৪২ রান। এখনও তাঁরা ৪৬৬ রানে পিছিয়ে। ফলো-অন বাঁচাতে লড়াই জারি রেখেছেন ক্যাপ্টেন তিলক ভার্মা (ব্যাটিং ৫৬)। তাঁকে সঙ্গত করছেন চামা মিলিন্দ (ব্যাটিং ২)। পূর্বাঞ্চলের হয়ে মহম্মদ সামি ও মুকেশ কুমার দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন।
চেন্নাইয়ে পূর্বাঞ্চলের ব্যাটিংয়ের সময় মনে হচ্ছিল, পিচে বোলারদের জন্য তেমন সুবিধা নেই। তবে বাংলার দুই বোলার মহম্মদ সামি ও মুকেশ কুমার পাটা পিচেই ফুল ফোটালেন। অভিজ্ঞ সামিকে ছোটো ছোটো স্পেলে বল করিয়েছেন ক্যাপ্টেন ঈশান। আর তাতে তিনি বেশ কার্যকরী ভূমিকা রেখেছেন। শাইক রশিদ (২৭) ও রবিচন্দ্রন শরণের (২৩) মূল্যবান উইকেট তুলে নিয়েছেন ৩৬ বছর বয়সি পেসার। আর মুকেশ ফেরান রিকি ভুঁই (১) ও দেবদত্ত পাদিক্কালকে (৬২)। উল্লেখ্য, পূর্বাঞ্চল ৭০৮ রানে অল-আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হয়। তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নামে দক্ষিণাঞ্চল। এবং ১০ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় তারা। অপর ওপেনার নারায়ন জগদীশান ও তিনে নামা দেবদত্ত পাদিক্কাল কিছু প্রতিরোধ গড়েন। তবে জগদীশানকে ফিরিয়ে ধাক্কা দেন শাকির মোহন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্টে দুরন্ত ফর্মে থাকা পাদিক্কাল অবশ্য অর্ধশতরান হাঁকান। তবে ১০৪ বলে ৬২ রান করে তিনি মুকেশের বলে আউট হতেই চাপে পড়ে যায় দক্ষিণাঞ্চল। ম্যাচ বাঁচাতে এখন ক্যাপ্টেন তিলকই ভরসা তাদের।