নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি বছরের ২১ মে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয় ইস্ট বেঙ্গল। দীর্ঘ ২২ বছর জাতীয় লিগ জয়ের আনন্দে সেদিন কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে বাঁধভাঙা উচ্ছাসে মেতেছিলেন অনুরাগীরা। প্রায় দু’মাস পর ফের দক্ষিণ কলকাতার এই মাঠে খেলতে নামছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। শুক্রবার ডুরান্ড কাপে তাদের প্রতিপক্ষ সিআইএসএফ প্রোটেক্টর্স। তবে এবারের পরিস্থিতি পুরোপুরি ভিন্ন। ইতিমধ্যেই ঐতিহ্যশালী টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে মর্যাদার ডার্বিতে হেরেছে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের ছেলেরা। ফলে ডুরান্ড কাপের পরবর্তী রাউন্ডের আশা জিইয়ে রাখতে শুক্রবার জয়ের পাশাপাশি গোল ব্যবধানও বাড়াতে হবে ইস্ট বেঙ্গলকে। সেই লক্ষ্যেই সেনাবাহিনীর দলটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামছেন রশিদ-আনোয়াররা।
মাত্র তিনদিনের প্রস্তুতিতে ডার্বিতে খেলতে হয়েছিল ইস্ট বেঙ্গলকে। ম্যাচে এক গোলে হারলেও ছেলেদের পারফরম্যান্সে স্বস্তির সুর শোনা গিয়েছিল কোচ হাবাসের গলায়। তবে একইসঙ্গে স্প্যানিশ কোচ জানিয়েছিলেন, দলে এখনও অনেক উন্নতির জায়গা রয়েছে। সেই মতো গত কয়েকদিন অনুশীলনে দুর্বলতাগুলি শুধরে নেওয়ার উপর জোর দেন অভিজ্ঞ স্প্যানিশ কোচ। শুক্রবার শুরু করবেন দুই বিদেশি রশিদ ও ডানি রামিরেজ। পাশাপাশি স্প্যানিশ ডিফেন্ডার নাচোকেও কিছুটা সময় দেখে নিতে চাইবেন লাল-হলুদ কোচ।
ইস্ট বেঙ্গলের চেয়ে ধারেভারে অনেকটাই পিছিয়ে সিআইএসএফ প্রোটেক্টর্স। প্রথম ম্যাচে সাউথ ইউনাইটেডের কাছে দু’গোলে হেরেছে তারা। তাই শুক্রবার এক পয়েন্ট পেলেই সেটা তাদের নৈতিক জয়। তার জন্য রক্ষণে লোক বাড়িয়ে ইস্ট বেঙ্গলের কাজ কঠিন করতে তুলতে চাইবে সেনাবাহিনীর দলটি। তারউপর যুবভারতীর তুলনায় কিশোরভারতীয় মাঠের আয়তন ছোটো। তারউপর মাঠের হালও বেশ খারাপ। অভিজ্ঞ হাবাসও তা ভালোই জানেন। সেই মতো পাসিং ফুটবলের মধ্যেই বিপক্ষের রক্ষণের বেড়াজাল টপকানো লক্ষ্য থাকবে লাল-হলুদ কোচের। একইসঙ্গে লং শটে বিপক্ষ গোলরক্ষককে বিব্রত করার প্রয়াসও ঝালিয়ে রাখলেন এডমুন্ড-রশিদরা।
কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা ৭-৩০ মিনিটে।
সম্প্রচার সোনি স্পোর্টসে।