Bartaman Logo
১৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

বিষ্ণুর গোলে শেষ চারে ইস্ট বেঙ্গল

সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। একঘেয়ে বৃষ্টিতে ভিজল তিলোত্তমা। রবিবার প্রতিকূল পরিবেশেও যুবভারতীতে হাজির হয়েছিলেন কয়েক হাজার ইস্ট বেঙ্গল সমর্থক।

বিষ্ণুর গোলে শেষ চারে ইস্ট বেঙ্গল
  • ১৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ইন্ডিয়ান আর্মি-০          :           ইস্ট বেঙ্গল-১
                                                    (বিষ্ণু)

Advertisement

অম্বরীশ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। একঘেয়ে বৃষ্টিতে ভিজল তিলোত্তমা। রবিবার প্রতিকূল পরিবেশেও যুবভারতীতে হাজির হয়েছিলেন কয়েক হাজার ইস্ট বেঙ্গল সমর্থক। জল-কাদার ভারী মাঠে ইন্ডিয়ান আর্মিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের সেমি-ফাইনালে আন্তোনিও লোপেজ হাবাস ব্রিগেড। তাতে স্বস্তি পেলেও মন ভরাতে ব্যর্থ মশালবাহিনী। একমাত্র গোলে নায়ক পিভি বিষ্ণু। এবার শেষ চারে ইস্ট বেঙ্গলের প্রতিপক্ষ দিল্লি এফসি। তারা এদিন রাংদাই এফসিকে ৫-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে।
এসিএল-টু’র বাছাই পর্বে কুয়েতের আল আরবিকে হারিয়ে তুবড়ি জ্বালিয়েছিলেন ডেভিডরা। এদিন উইনিং স্কোয়াড থেকে একই সঙ্গে ৯টি পরিবর্তন করেছিলেন হাবাস। স্প্যানিশ কোচের স্ট্র্যাটেজি ব্যুমেরাং হতেই পারত। শুরুতে রামিরেজ ও রাশিদ মাঝমাঠ দখলে নিয়ে বল পজেশন ধরে রেখেছিলেন। ৬ মিনিটেই লিড নেওয়ার সুযোগ এসেছিল মশাল বাহিনীর সামনে। আর্মির বক্সে ডেভিড মচৎকার বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন রামিরেজকে। কিন্তু স্প্যানিশ ফুটবলার প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের গায়ে মারলেন। ৯ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিল সেনাও। এক্ষেত্রে অভিষেকের দূরপাল্লার বাঁক খাওয়ানো শট লাচেনপা শরীর ছুড়ে সেভ করেন। ৩০ মিনিটে বিষ্ণুর সামনেও এসেছিল সুযোগ। তবে তাঁর দুর্বল ভলিতে ভেদশক্তি ছিল না। ডাগ আউটে ক্রমশ বিরক্ত দেখাচ্ছিল স্প্যানিশ কোচকে। তখনই ডেডলক খুলে নায়ক দক্ষিণী উইঙ্গার। ৩৯ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে বক্সে বল ভাসিয়েছিলেন ইকোনমিডিস। দুই ডিফেন্ডারের জাঁতাকল এড়িয়ে দুরন্ত হেডে জাল কাঁপান বিষ্ণু (১-০)। 
এক গোলের ব্যবধান কখনওই সুরক্ষিত নয়। তাই বিরতির পর বিপিন, এডমুন্ড ও জেসিনকে মাঠে নামান কোচ হাবাস। কিন্তু চাপ বাড়লেও গোল এল না। জেসিন, বিপিনরা ক্ষমার অযোগ্য সব মিস করলেন। ভারী মাঠে আর্মির রক্ষণে খেই হারালেন রামিরেজ, এডমুন্ড। ৮০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতেন জেসিন। কিন্তু বিপিনের মাইনাসে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ তিনি। নক-আউট ম্যাচে এত সুযোগ মিস সত্যিই দৃষ্টিকটূ। বিপদ বাড়ছে দেখে সন্দীপ মান্ডি ও জিকসনকে নামিয়ে রক্ষণের ঝাঁপ ফেলে দেন হাবাস। অন্তিম পর্বে আর্মির পেনাল্টির আবেদন খারিজ করেন রেফারি। 
ইস্ট বেঙ্গল: লাচেনপা, নরেন্দর, লালচুংনুঙ্গা, বরিস (সন্দীপ), জয়, বিষ্ণু (বিপিন), রামিরেজ, রশিদ, রোহিত (জিকসন), ডেভিড (জেসিন) ও ইকোনমিডিস (এডমুন্ড)।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ