সংবাদদাতা, ঘাটাল: নিজেদের দোতলা পাকাবাড়ি রয়েছে, তা সত্ত্বেও সেই পরিবারের নামে মঞ্জুর হয়েছে বাংলার আবাস যোজনার বাড়ি। দাসপুর-১ ব্লকের ধর্মসাগর গ্রামের ওই আবাস যোজনার বাড়ি প্রাপকের নাম রবীন্দ্রনাথ দাস। সম্প্রতি তিনি আবাস যোজনা প্রকল্পে পাওয়া টাকাতে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। রবীন্দ্রনাথবাবু টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমার কোনও পাকা বাড়ি নেই। যে বাড়িটি দেখছেন, ওটা ছেলের। সেজন্যই ব্লক থেকে আমার নামটি পাঠানো হয়েছিল। টাকা পেয়ে আমি বাড়ি তৈরি শুরু করেছি। দাসপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূলের ওই ব্লক সভাপতি সুনীল ভৌমিক বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পলিসি অনুযায়ী কোনও পরিবারের পাকা বাড়ি থাকলে তাঁদের আবাস যোজনার বাড়ি পাওয়ার কথা নয়। তবুও কেন রবীন্দ্রনাথবাবু বাড়ির টাকা পেলেন বুঝে উঠতে পারছি না। বিষয়টি আরও খোঁজ নিয়ে মন্তব্য করছি। বিডিও দীপঙ্কর বিশ্বাসও বিষয়টি খোঁজ নিয়ে মন্তব্য করবেন বলে জানান।
Advertisement
রবীন্দ্রবাবুর ছেলে মানিক দাস পেশায় স্বর্ণশিল্পী। তিনি কয়েক বছর আগে একটি বড়সড় বাড়ি করেছেন। সেই বাড়ির সামনেই ছিটে বেড়ার একটি বাড়ি ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশাসনের প্রতিনিধিদের সেই ছিটেবেড়ার বাড়ি দেখিয়েই রবীন্দ্রনাথবাবু নিজের নাম আবাস যোজনার তালিকা তুলেছিলেন। রবীন্দ্রবাবু তাঁর ভাই শম্ভু দাসের সঙ্গে ছিটেবেড়ার বাড়িতে থাকেন। প্রশাসন থেকে যাঁরা তদন্তে এসেছিলেন, তাঁরা দুই ভাইয়ের বাড়িই পরিদর্শন করে গিয়েছিলেন। শম্ভুবাবুর প্রত্যাশা ছিল, দাদার যেহেতু পাকাবাড়ি, তাই দাদার নাম লিস্টে আসবে না। তাঁর নামটা অবশ্যই আসবে। শম্ভুবাবু বলেন, বাস্তবে ঠিক উল্টোটা হল। আমার নামে কোনও বাড়ি মঞ্জুর হল না। দাদা আবারও বাড়ি পেয়ে গেলেন।
এলাকায় ওই পরিবারের নামে বাড়ি আসার খবরটি জানাজানি হতেই অপ্রস্তুত বোধ করতে শুরু করেছেন রবীন্দ্রনাথবাবু। তিনি বিষয়টি ঢাকতে সাফাই দিতে শুরু করেছেন। এখন তিনি বলছেন, আমার ছেলের সঙ্গে আমাদের স্বামী-স্ত্রীর কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা ছিটেবেড়ার বাড়িতেই থাকতাম। তাই আমি প্রশাসনের প্রতিনিধিদের আমাকে একটি বাড়ি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। সেটি ভেঙেই আবাস যোজনার বাড়ি হচ্ছে। রবীন্দ্রনাথবাবুর ওই ‘হাস্যকর’ যুক্তি মানতে রাজি নন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের পাল্টা জবাব, রবীন্দ্রবাবুর ছেলের বিয়ে হয়নি। ছেলের বাবা-মা অন্ত প্রাণ। ছেলের পাকা বাড়িতেই রবীন্দ্রবাবুরা থাকেন। আবাস যোজনার টাকায় বাড়ি করার জন্য রবীন্দ্রবাবু অসত্য কথা বলছেন।
এলাকায় ওই পরিবারের নামে বাড়ি আসার খবরটি জানাজানি হতেই অপ্রস্তুত বোধ করতে শুরু করেছেন রবীন্দ্রনাথবাবু। তিনি বিষয়টি ঢাকতে সাফাই দিতে শুরু করেছেন। এখন তিনি বলছেন, আমার ছেলের সঙ্গে আমাদের স্বামী-স্ত্রীর কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা ছিটেবেড়ার বাড়িতেই থাকতাম। তাই আমি প্রশাসনের প্রতিনিধিদের আমাকে একটি বাড়ি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। সেটি ভেঙেই আবাস যোজনার বাড়ি হচ্ছে। রবীন্দ্রনাথবাবুর ওই ‘হাস্যকর’ যুক্তি মানতে রাজি নন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের পাল্টা জবাব, রবীন্দ্রবাবুর ছেলের বিয়ে হয়নি। ছেলের বাবা-মা অন্ত প্রাণ। ছেলের পাকা বাড়িতেই রবীন্দ্রবাবুরা থাকেন। আবাস যোজনার টাকায় বাড়ি করার জন্য রবীন্দ্রবাবু অসত্য কথা বলছেন।



