নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ডেথ সার্টিফিকেট অমিল! তাই শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের পূর্ণকুম্ভ থেকে তীর্থযাত্রী অমল পোদ্দারের (৭০) মৃতদেহ নিয়ে শিলিগুড়িতে ফিরে আতান্তরে পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগ, ময়নাতদন্ত তো দূরঅস্ত, ডেথ সার্টিফিকেট না দিয়ে মৃতদেহ পাঠিয়ে দিয়েছে যোগী সরকার। কীভাবে হবে মৃতদেহ সৎকার? অসহায় পরিবারের সদস্যরা দ্বারস্থ হন শিলিগুড়ি পুলিসের। অবশেষে এনিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে এনজেপি থানার পুলিস। মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়। এরপর মৃতদেহের সৎকার হয়। সমগ্র ঘটনা ঘিরে জোর শোরগোল পড়েছে।
Advertisement
শিলিগুড়ি শহরের উপকণ্ঠে ডাবগ্রাম-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাড়িভাসা গ্রামে বৃদ্ধ অমলবাবুর বাড়ি। কিছুদিন আগেই স্ত্রী কল্পনাদেবী ও এক প্রতিবেশীকে সঙ্গে নিয়ে প্রয়াগরাজে যান অমলবাবু। গত বুধবার তিনি পূর্ণকুম্ভে স্নান করার পর ভিড়ে অসুস্থতা বোধ করেন। ধাক্কাধাক্কিতে মাটিতে পড়েও যান। সেখান থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি থেকে প্রয়াগরাজের পাড়ি দেন মৃতের বড় ছেলে অসিত পোদ্দার। শুক্রবার তিনি অ্যাম্বুলেন্সে করে বাবার মৃতদেহ শিলিগুড়িতে নিয়ে আসন। কিন্তু মৃতদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নেই। ডেথ সার্টিফিকেটও নেই বলে অভিযোগ। যার ফলে এখানে মৃতদেহ সৎকার করা নিয়ে পরিবারের সদস্যরা বেকায়দায় পড়েন।
এরপর স্থানীয়দের পরামর্শে মৃতের পরিবারের লোকরা দ্বারস্থ হন এনজেপি থানার। বিজেপির স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বলরাম দাস বলেন, মৃতদেহ সৎকার করার জন্য ডেথ সার্টিফিকেট দরকার। তা না থাকায় পরিবারের সদস্যরা থানার যান। এরপর দেহের ময়নাতদন্ত উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে হয়। বিকেলে মৃতদেহ সৎকার করা হয়েছে।
শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, মৃতের ডেথ সার্টিফিকেট ছিল না। তাই পরিবারের লোকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা নিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়। ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
মৃত ওই তীর্থযাত্রী একসময় ব্যবসা করতেন। তাঁর দুই ছেলে, এক মেয়ে। দুই ছেলের মধ্যে একজন ব্যবসায়ী, আরএকজন বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। কর্মসূত্রে মেয়ে বেঙ্গালুরু থাকেন। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে এদিন শিলিগুড়ি ফিরেছেন। তাঁরা ঘটনাটি নিয়ে কথা বলার পরিস্থিতিতে ছিলেন না। সকলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁদের এক আত্মীয়ের অভিযোগ, মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা তো দূরের কথা, ডেথ সার্টিফিকেটই দেয়নি উত্তরপ্রদেশ সরকার। এমনকী অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়াও দেয়নি। শুধুমাত্র একটি চিরকূট হাতে ধরিয়ে দেয়। এটা মানা যায় না।
এনিয়ে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ডাবগ্রাম-২ পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী সুধা সিংহ চট্টোপাধ্যায় বলেন, পূর্ণকুম্ভে মৃত্যুর সংখ্যা ধামাচাপা দিতেই মৃতের পরিবারকে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়নি যোগী সরকার। ডাবগ্রাম-২ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিজেপির সুপেন রায় অবশ্য বলেন, এখানে উত্তরপ্রদেশ সরকারের কোনও ত্রুটি নেই। সেখানকার সরকার অমলবাবুর মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করার উদ্যোগ নেয়। তাতে মৃতের স্ত্রী রাজি হননি। শিলিগুড়িতে ময়নাতদন্ত করানোর কথা বলে তিনি স্বামীর দেহ নিয়ে আসেন। আমরা পরিবারটির পাশে আছি। তাঁদেরকে সরকারি সাহায্য পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।
এরপর স্থানীয়দের পরামর্শে মৃতের পরিবারের লোকরা দ্বারস্থ হন এনজেপি থানার। বিজেপির স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বলরাম দাস বলেন, মৃতদেহ সৎকার করার জন্য ডেথ সার্টিফিকেট দরকার। তা না থাকায় পরিবারের সদস্যরা থানার যান। এরপর দেহের ময়নাতদন্ত উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে হয়। বিকেলে মৃতদেহ সৎকার করা হয়েছে।
শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, মৃতের ডেথ সার্টিফিকেট ছিল না। তাই পরিবারের লোকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা নিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়। ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
মৃত ওই তীর্থযাত্রী একসময় ব্যবসা করতেন। তাঁর দুই ছেলে, এক মেয়ে। দুই ছেলের মধ্যে একজন ব্যবসায়ী, আরএকজন বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। কর্মসূত্রে মেয়ে বেঙ্গালুরু থাকেন। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে এদিন শিলিগুড়ি ফিরেছেন। তাঁরা ঘটনাটি নিয়ে কথা বলার পরিস্থিতিতে ছিলেন না। সকলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁদের এক আত্মীয়ের অভিযোগ, মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা তো দূরের কথা, ডেথ সার্টিফিকেটই দেয়নি উত্তরপ্রদেশ সরকার। এমনকী অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়াও দেয়নি। শুধুমাত্র একটি চিরকূট হাতে ধরিয়ে দেয়। এটা মানা যায় না।
এনিয়ে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ডাবগ্রাম-২ পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী সুধা সিংহ চট্টোপাধ্যায় বলেন, পূর্ণকুম্ভে মৃত্যুর সংখ্যা ধামাচাপা দিতেই মৃতের পরিবারকে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়নি যোগী সরকার। ডাবগ্রাম-২ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিজেপির সুপেন রায় অবশ্য বলেন, এখানে উত্তরপ্রদেশ সরকারের কোনও ত্রুটি নেই। সেখানকার সরকার অমলবাবুর মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করার উদ্যোগ নেয়। তাতে মৃতের স্ত্রী রাজি হননি। শিলিগুড়িতে ময়নাতদন্ত করানোর কথা বলে তিনি স্বামীর দেহ নিয়ে আসেন। আমরা পরিবারটির পাশে আছি। তাঁদেরকে সরকারি সাহায্য পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।



