Bartaman Logo
১২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্যে অঞ্চল ভেদে শুষ্ক কিংবা ভ্যাপসা গরম আগামী ৪-৫ দিন, চলবে বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টিও

শুষ্ক গরম হাওয়ার দাপটে দেশের উত্তর-পশ্চিম, মধ্য ও পূর্ব ভারতের একটা অংশ জুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি চলছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেক জায়গায় ৪৪-৪৫ ডিগ্ৰি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে।

রাজ্যে অঞ্চল ভেদে শুষ্ক কিংবা ভ্যাপসা গরম  আগামী ৪-৫ দিন, চলবে বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টিও
  • ২৩ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুষ্ক গরম হাওয়ার দাপটে দেশের উত্তর-পশ্চিম, মধ্য ও পূর্ব ভারতের একটা অংশ জুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি চলছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেক জায়গায় ৪৪-৪৫ ডিগ্ৰি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে। উত্তরপ্রদেশের বান্দায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছে ৪৭.৬ ডিগ্ৰি। দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে প্রচণ্ড অস্বস্তিকর গরম পড়লেও তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি নেই বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্পপূর্ণ দখিনা বাতাস প্রবেশ করার কারণে তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে না বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হাবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ড এবং বিহারেও তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি রয়েছে। এই কারণে ওইসব রাজ্য সংলগ্ন পুরুলিয়া এবং পশ্চিমাঞ্চলের কোনো কোনো জায়গায় তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি আছে। 

Advertisement

সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। সেখানে তাপপ্রবাহ না-থাকলেও শুকনো গরম অনুভূত হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূল সংলগ্ন ও লাগোয়া এলাকায় তাপমাত্রা কিছুটা কম। কিন্তু এই অংশে বাতাসে জলীয় বাষ্পের মাত্রা বেশি থাকায় ভ্যাপসা অস্বস্তিকর গরমে জেরবার হতে হচ্ছে। শুক্রবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা এইসময়ের প্রায় স্বাভাবিক তাপমাত্রা। কিন্তু বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার মাত্রা এদিনও খুব বেশি ছিল। সর্বনিম্ন আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৬৬ শতাংশ। ভোরবেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (২৯. ৮ ডিগ্ৰি সেলসিয়াস) স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৩ ডিগ্রি বেশি ছিল। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় রাতে ভূপৃষ্ঠ থেকে তাপের বিকিরণ বাধা পাওয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে গরমের চরিত্র আগামী চার-পাঁচদিন এরকমই থাকবে। তারপর তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। এরই মধ্যে বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে বিভিন্ন জায়গায় ঝড়বৃষ্টি হবে। যেখানে ঝড়বৃষ্টি হবে সেখানে গরম কমে সাময়িক স্বস্তি মিলবে। শুক্রবারও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বজ্রমেঘের সঞ্চার হয়। বীরভূম, দুই বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া প্রভৃতি কয়েকটি জেলায় ‘কমলা’ সর্তকতা জারি করে আবহাওয়া দপ্তর। উত্তরবঙ্গে বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার বেশি হচ্ছে। সেখানে বিশেষ করে, উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও লাগোয়া এলাকায় বৃষ্টি বেশি হচ্ছে। ঘূর্ণাবর্ত ও নিম্নচাপ অক্ষরেখার উপস্থিতির জন্য বঙ্গোপসাগর থেকে বেশি পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি করছে। উত্তরবঙ্গে এই প্রবণতা বেশি। দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ