সংবাদদাতা, বনগাঁ: ‘দুয়ারে সরকার’ নিয়ে গান বাঁধলেন বাগদার বিডিও। গানের কথা তাঁর নিজের। সুরও দিয়েছেন তিনি। সে গান প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিডিও প্রসূন প্রামাণিকের সে গানই বাগদার দুয়ারে সরকারের থিম সং। সে সঙ্গীতে উঠে এসেছে সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধার কথা। তা বাজিয়ে চলছে প্রচার। দুয়ারে সরকার সফল করতে বাসিন্দাদের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে এই অঞ্চলের ইতিহাস। জানানো হচ্ছে এলাকার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। প্রসূনবাবু বলেন, ‘ব্লকের মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে ও ক্যাম্পের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
Advertisement
২৪ জানুয়ারি থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে নবম পর্যায়ের দুয়ারে সরকার। চলবে এক ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। রাজ্য সরকারের ১৮টি বিভাগের ৩৭টি পরিষেবা ক্যাম্প থেকে পাবে রাজ্যবাসী। রাজ্যের অন্যতম ব্লক বাগদা। অতীতে সীমান্তবর্তী এই ব্লকের অনেক জায়গায় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সেভাবে পৌঁছত না। দুয়ারে সরকার শুরু হওয়ার পর সে সমস্যা মিটেছে। বাগদা ব্লকে ১৪৪টি মেইন ক্যাম্প চলছে। পাশাপাশি ৩১২টি মোবাইল ক্যাম্প থেকেও সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধা পাচ্ছে মানুষ। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে দু’টি করে আদর্শ ক্যাম্প রয়েছে।
বাগদায় একাধিক ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম মঙ্গলগঞ্জের নীলকুঠি। বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য রাজ্যের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র। তার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে ইছামতী নদী। আর বাগদার মধ্য দিয়ে বয়ে গিয়েছে কোদালিয়া, গড়াইল, কপোতাক্ষ নদী। এইসব জানা তথ্যও ক্যাম্পে তুলে ধরা হচ্ছে।
১৯৭১ সালে যুদ্ধে বাগদার বয়রা গ্রামে উদ্বাস্তু ক্যাম্প ও সেনা ছাউনি তৈরি ঐতিহাসিক একটি ঘটনা। তাও তুলে ধরা হচ্ছে। ফ্লেক্স-পোস্টারে সাজিয়ে তোলা হয়েছে ক্যাম্পগুলি। বিডিও বলেন, ‘নিজের জায়গা সম্পর্কে আগে মানুষকে জানতে হবে। বাগদার ইতিহাস আরও ভালোভাবে জানাতেই এই বিশেষ উদ্যোগ।’
বাগদায় একাধিক ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম মঙ্গলগঞ্জের নীলকুঠি। বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য রাজ্যের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র। তার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে ইছামতী নদী। আর বাগদার মধ্য দিয়ে বয়ে গিয়েছে কোদালিয়া, গড়াইল, কপোতাক্ষ নদী। এইসব জানা তথ্যও ক্যাম্পে তুলে ধরা হচ্ছে।
১৯৭১ সালে যুদ্ধে বাগদার বয়রা গ্রামে উদ্বাস্তু ক্যাম্প ও সেনা ছাউনি তৈরি ঐতিহাসিক একটি ঘটনা। তাও তুলে ধরা হচ্ছে। ফ্লেক্স-পোস্টারে সাজিয়ে তোলা হয়েছে ক্যাম্পগুলি। বিডিও বলেন, ‘নিজের জায়গা সম্পর্কে আগে মানুষকে জানতে হবে। বাগদার ইতিহাস আরও ভালোভাবে জানাতেই এই বিশেষ উদ্যোগ।’



