Bartaman Logo
২১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

স্বাধীনতার পর থেকেই পাকা রাস্তার মুখ দেখেনি দোহারিয়া, বর্ষা এলেই কাদা ভরতি পথ

দোহারিয়া গ্রামে স্বাধীনতার পর থেকে পাকা রাস্তার অভাব। বর্ষায় যাতায়াত কঠিন, স্থানীয়রা দ্রুত রাস্তা নির্মাণের দাবি জানাচ্ছেন। বিস্তারিত পড়ুন।

স্বাধীনতার পর থেকেই পাকা রাস্তার মুখ দেখেনি দোহারিয়া, বর্ষা এলেই কাদা ভরতি পথ
  • ২১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দেখে মনে হবে, এ যেন বিচ্ছিন্ন একটি গ্রাম। অথচ পাশে মূল সড়ক থেকে ওই গ্রামের দূরত্ব মাত্র দু’কিলোমিটার। কিন্তু সেই দু’কিলোমিটার রাস্তাই কাঁচা, ভাঙাচোরা। রাস্তাটি নিয়ে দুর্ভোগ বছরের পর বছর নিত্যসঙ্গী দেগঙ্গার নূরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দোহারিয়া গ্রামের হাজার হাজার বাসিন্দার। স্বাধীনতার পর থেকে আজও পাকা রাস্তার মুখ দেখেননি বলে দাবি তাঁদের। বর্ষা নামলেই রাস্তা কাদায় থইথই করে। হাঁটাচলা তো দূরের কথা, সাইকেল বা মোটরবাইক নিয়েও যাতায়াত কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। প্রায়ই ছোটো-বড়ো দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তায় পড়ে গিয়ে বহু শিশু আহত হয়েছে। কারও কারও পায়ের আঙুল পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় অসুস্থ মানুষ, বৃদ্ধ এবং অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল হকের দাবি, খারাপ রাস্তার কারণে অনেক সময় অ্যাম্বুল্যান্স গ্রামে ঢুকতে চায় না। বাধ্য হয়ে রোগীকে কোলে করে বা ভ্যান ঠেলে মূল সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে এই ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা পাকা করার দাবিতে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ-সহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। এমনকী রাস্তা নির্মাণের জন্য একবার মাপজোকও হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজ আর শুরু হয়নি। ফলে প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে উন্নয়নের মুখ দেখেনি দোহারিয়া। আরেক বাসিন্দা শিবু দত্তের কথায়, রাস্তা মাত্র দু’কিলোমিটার। কিন্তু এই দু’কিলোমিটারের জন্য আমাদের প্রতিদিন প্রচণ্ড কষ্ট করতে হয়। বর্ষায় বাড়ি থেকে বেরনোই দায় হয়ে যায়। এত আবেদন করেও কোনো কাজ হয়নি। তবে এলাকার বাসিন্দাদের আশা, দীর্ঘদিনের সমস্যা এবার দূর হবে। দ্রুত রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হবে, যাতে দোহারিয়া গ্রামের বাসিন্দারাও স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা পান। নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ