নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: রবিবার দিনভর মহানাদের মেঘসারের মাঠ থেকে জল বের করার কাজ করতে হল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকেলের পর আলুর জমি থেকে জল সম্পূর্ণ সরানো গিয়েছে। তবে মাঠে কাদাভাব যেমন আছে, তেমনই কৃষকদের উদ্বেগ পুরোপুরি অবসান হয়নি। কৃষকদের দাবি, দীর্ঘসময় মাঠে জল থাকার কারণে আলুর ক্ষতি হওয়া স্বাভাবিক। আরও দু’দিন জমি পর্যবেক্ষণ করলে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এদিকে, ভিডিসি’র জল ছাড়ার জেরে মেঘসারের আলুর জমি ভেসে যাওয়ার ঘটনায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে রাজ্যের কৃষিদপ্তর। প্রতিনিয়ত ঘটনার গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রাখছেন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। রবিবার শোভনদেববাবু বলেন, আমরা ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা করে দেখছি। কৃষকদের ক্ষতি হলে তা সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা আমাদের দায়িত্ব। সমস্যার কথা প্রকাশ্যে আসার পর জল বের করা সহ যাবতীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। মহানাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শুভেন্দু দাস বলেন, শনিবার সব জল বের করা যায়নি। রবিবারও দিনভর পাম্প চালিয়ে জল বের করতে হয়েছে। শতাধিক বিঘা জমিতে আলু চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আমরা কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। কৃষি ও সেচদপ্তর পর্যাপ্ত সাহায্য করছে। ক্ষয়ক্ষতির বাস্তব চিত্র সামনে আসতে সময় লাগবে। সেচবাঁধ সারানোর কাজও করা হচ্ছে। ডিভিসি’র জল ছাড়ায় শুক্রবার রাতে ভেসে গিয়েছিল মেঘসারের প্রায় শতাধিক বিঘা জমি। জলের তোড়ে স্থানীয় সেচবাঁধটিও ভেঙে গিয়েছিল। তার জেরেই জমি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। শনিবার সকালে জমিতে জল দাঁড়িয়ে যাওয়ায় আলুচাষিদের মধ্যে হাহাকার ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত পঞ্চায়েত ও জেলা প্রশাসন ময়দানে নামে।



