নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: যেকোনও ইস্যুতেই লাগাতার সংখ্যালঘু উন্নয়নের বার্তা দেয় দল। কিন্তু দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিজেপির পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকাতেই নেই একজনও মুসলিম মুখ! এমনকী দিল্লির যেসব বিধানসভা কেন্দ্র সংখ্যালঘু প্রভাবিত এলাকা হিসেবেই পরিচিত, সেইসব আসনেও কোনও মুসলমান প্রার্থী দাঁড় করায়নি কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। তবে শুধুমাত্র সংখ্যালঘু মুখের ক্ষেত্রেই নয়। ক্রমাগত ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’য়ের জিগির তোলা দল বিজেপির দিল্লিতে ৬৮টি আসনের প্রার্থী তালিকায় মহিলা মুখ মাত্র নয়। অর্থাৎ, দিল্লি ভোটে দলের মোট প্রার্থীর মাত্র ১৩ শতাংশ মহিলা। বিজেপির শীর্ষ সূত্রের খবর, এই বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে দলের অন্দরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সংখ্যালঘু এবং মহিলা প্রার্থী ইস্যুতে গেরুয়া শিবিরের অভ্যন্তরেই প্রশ্নের মুখে পড়ছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতারা।
Advertisement
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, বিজেপির সংখ্যালঘু ভোট যে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে এবারের দিল্লি ভোটে দলীয় প্রার্থী তালিকাই তার প্রমাণ। সংখ্যালঘুদের ভোটারদের মধ্যে বিশেষ আস্থা অর্জন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ গেরুয়া শিবির। তুঘলকাবাদ, সিলমপুর, ওয়াজিরপুর, মুস্তাফাবাদ, বাবরপুরের মতো দিল্লির বেশ কয়েকটি বিধানসভা আসন প্রধানত সংখ্যালঘু প্রভাবিত হিসেবেই পরিচিত। এসব কেন্দ্রেও কেন একটিও সংখ্যালঘু মুখ জোগাড় করা গেল না, সেই প্রশ্ন দলের মধ্যেই উঠছে। দিল্লিতে মোট বিধানসভা আসনের সংখ্যা ৭০টি। চার দফায় ৬৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। দু’টি কেন্দ্র ছাড়া হয়েছে এনডিএর জোট শরিক জেডিইউ এবং এলজেপি (আরভি)কে। নীতীশ কুমারের দলকে বুরারি এবং চিরাগ পাসওয়ানের দলকে দেওলি আসন ছেড়েছে বিজেপি।
এই ৬৮টি আসনের মধ্যে মাত্র ন’টিতে মহিলা প্রার্থীকে দাঁড় করানোর বিষয়টি নিয়েও দলের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে। এই ন’জন মহিলা প্রার্থীর তালিকায় নাম নেই প্রবল আলোচিত দুই বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি এবং মীনাক্ষি লেখির। একইভাবে জল্পনা চললেও ‘বিতর্কিত’ বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মাকেও দিল্লি ভোটে প্রার্থী করার ঝুঁকি নিতে পারেনি গেরুয়া শিবির। প্রকাশ্যে মন্তব্য না করলেও দিল্লির বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের ব্যাখ্যা, প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই। সংখ্যালঘু ভোটও বিজেপির পক্ষে রয়েছে। দলীয় মূল্যায়নকে মান্যতা দিয়েই যোগ্যতম প্রার্থীকে দাঁড় করানো হয়েছে।
এই ৬৮টি আসনের মধ্যে মাত্র ন’টিতে মহিলা প্রার্থীকে দাঁড় করানোর বিষয়টি নিয়েও দলের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে। এই ন’জন মহিলা প্রার্থীর তালিকায় নাম নেই প্রবল আলোচিত দুই বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি এবং মীনাক্ষি লেখির। একইভাবে জল্পনা চললেও ‘বিতর্কিত’ বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মাকেও দিল্লি ভোটে প্রার্থী করার ঝুঁকি নিতে পারেনি গেরুয়া শিবির। প্রকাশ্যে মন্তব্য না করলেও দিল্লির বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের ব্যাখ্যা, প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই। সংখ্যালঘু ভোটও বিজেপির পক্ষে রয়েছে। দলীয় মূল্যায়নকে মান্যতা দিয়েই যোগ্যতম প্রার্থীকে দাঁড় করানো হয়েছে।



