নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ১০০ দিনের কাজ বন্ধ থাকায় গত দু’টি অর্থবর্ষে সেভাবে নতুন করে আর ম্যানগ্রোভের চারা লাগানো হয়নি। এই দু’বছরে যেটুকু গাছ হয়েছে, তা প্রাকৃতিক উপায়ে বীজ পড়ে। দুর্যোগ এই অঞ্চলে পালা করে আসে। তার জেরেই ক্ষতির মুখে পড়ে বাদাবন। আবার এক শ্রেণির অসাধু কারবারি সুন্দরবনের কিছু অংশে ম্যানগ্রোভ কেটে ভেরি তৈরি করেছে বলে অভিযোগ। এত প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ম্যানগ্রোভের বনাঞ্চল বেড়েছে ১৪১ হেক্টর। গোটা দেশে যেখানে বাদাবনের পরিমাণ ৭৪৩ হেক্টর কমেছে, সেখানে এই জেলার চিত্র অনেকটাই ভালো। সদ্য প্রকাশিত ফরেস্ট সার্ভে অব ইন্ডিয়ার রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।
Advertisement
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ডানার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, আরও পাঁচ কোটি ম্যানগ্রোভের চারা লাগানো হবে। মঙ্গলবার সেই কর্মসূচি শুরু হল সাগরে। আপাতত ৫০০ হেক্টর জমি এই কাজের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানেই বসানো হবে ম্যানগ্রোভের চারা। গঙ্গাসাগরে ভাঙন রোধে সুন্দরী, গড়ান ইত্যাদি ম্যানগ্রোভ গাছকেই এবার হাতিয়ার করছে প্রশাসন। জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা বলেন, প্রথম ধাপে সাগরে ম্যানগ্রোভের চারা লাগানো হবে। সুন্দরবনের অন্যান্য ব্লকেও এই কর্মসূচি চালানো হবে। দু’বছর বাদে এই গাছ বড় হলে তখন এর উপকারিতা বোঝা যাবে। ওই রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের তিন জেলায় ম্যানগ্রোভের বনাঞ্চল রয়েছে। তারমধ্যে শুধুমাত্র দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই এই বনাঞ্চল বেড়েছে। উল্টোদিক থেকে দেখলে দেখা যাচ্ছে, উল্লেখযোগ্যভাবে ম্যানগ্রোভের হানঞ্চসবনাঞ্চল কমেছে গুজরাতে।
বনদপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়ালের বক্তব্য, কয়েক বছর আগে ২০০০ হেক্টর জমিতে ম্যানগ্রোভের চারা লাগানো হয়েছিল। সেই গাছ ধীরে ধীরে বড় হয়েছে। তার মধ্যে কিছু অবশ্য নষ্ট হয়েছে। যেসব জায়গায় গাছ মরে গিয়েছে, সেখানে ফের চারা লাগানো হবে বলে দপ্তর জানিয়েছে। আধিকারিকরা মনে করছেন, ঠিকমতো যত্ন এবং প্রতিনিয়ত বীজ রোপণ করা হলে ভবিষ্যতে এই বনাঞ্চল আরও বাড়বে।
বনদপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়ালের বক্তব্য, কয়েক বছর আগে ২০০০ হেক্টর জমিতে ম্যানগ্রোভের চারা লাগানো হয়েছিল। সেই গাছ ধীরে ধীরে বড় হয়েছে। তার মধ্যে কিছু অবশ্য নষ্ট হয়েছে। যেসব জায়গায় গাছ মরে গিয়েছে, সেখানে ফের চারা লাগানো হবে বলে দপ্তর জানিয়েছে। আধিকারিকরা মনে করছেন, ঠিকমতো যত্ন এবং প্রতিনিয়ত বীজ রোপণ করা হলে ভবিষ্যতে এই বনাঞ্চল আরও বাড়বে।



