Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ডিজিটালের যুগেও ডাকযোগে সম্পত্তি করের বিল পাঠাতে দেড় কোটির বেশি খরচ পুরসভার

ডিজিটালের যুগেও ডাকযোগে সম্পত্তি করের বিল পাঠাতে দেড় কোটির বেশি খরচ পুরসভার
  • ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কয়েক বছর ধরে অনলাইন পরিষেবায় জোর দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। সম্পত্তি করের বিল পাঠানো এবং ট্যাক্স জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে অনলাইনের সুবিধা। এছাড়া লাইসেন্স, বিল্ডিং, জঞ্জাল সাফাই থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিভাগের বিল এখন অনলাইনেই মেটানো যায়। সম্পত্তি করের ক্ষেত্রে শুধু টাকা মেটানোই নয়, ‘আপডেটেড’ ট্যাক্সের বিলও দেখে নেওয়া যায় পুরসভার ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থেকে। তাছাড়া, সংশ্লিষ্ট করদাতার মোবাইলে এসএমএস করে বা ই-মেলের মাধ্যমে বিল পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তা সত্ত্বেও ডাকযোগে করদাতাদের বাড়ি বাড়ি ট্যাক্সের বিল পাঠাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হচ্ছে কলকাতা পুরসভার। প্রতি বছরই 
Advertisement
পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সম্পত্তি করের বিল পাঠানো হয় লক্ষ লক্ষ করদাতাকে। চলতি অর্থবর্ষের শেষের দিকে নিয়মমাফিক ৯ লক্ষ ৬০ হাজার করদাতাকে আগামী অর্থবর্ষের (২০২৫-২৬) বার্ষিক ট্যাক্সের বিল (পিডি বিল) পাঠানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ডাকযোগে এই বিলগুলি পাঠাতে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা খরচ হবে পুরসভার। 
বর্তমানে অনলাইন পেমেন্টের প্রতি সাধারণ মানুষের ঝোঁক বাড়ছে। পুরসভাও এর জন্য লাগাতার উৎসাহিত করছে নাগরিকদের। চলতি বছর এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ কর সংগ্রহ হয়েছে অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে। অনলাইনে কর মেটালে অতিরিক্ত এক শতাংশ ছাড়ও দিচ্ছে পুরসভা। সব মিলিয়ে এই পদ্ধতিতে ভালো সাড়া মিলেছে। তাহলে কেন কাগজের বিল পাঠানোর মতো সাবেকি রীতি আঁকড়ে আছে পুরসভা? এক পুরকর্তা বলেন, ‘এখন সমস্ত করদাতাকে এসএমএস করে বা ই-মেলে বিল পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাছাড়া, যে কেউ চাইলে ওয়েবসাইটে আপডেটেড ট্যাক্সের বিল দেখে নিতে পারেন। কিন্তু তারপরও ভুলে গেলে চলবে না, শহরের নাগরিকদের একটা বড় অংশ এখনও অনলাইন পেমেন্ট সহ সংশ্লিষ্ট কাজকর্মে একেবারে সরগড় নয়। কারও কারও আবার স্মার্টফোন বা অনলাইন কাজকর্মের উপযোগী কোনও সামগ্রী না থাকায় এই সুবিধা নেওয়ার সুযোগ নেই। তাই এখনও অনেকে পুরসভার অফিসে এসে অফলাইনে ট্যাক্সের বিল জমা দিতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘পুর-আইনে ডাকযোগে বিল পাঠানো বাধ্যতামূলক করা আছে। সেই আইন বদল করা হয়নি অনেক মানুষের সমস্যার কথা ভেবেই। তাই এই রীতি বজায় রাখতে বাধ্য আমরা।’
সম্পর্কিত সংবাদ