Bartaman Logo
১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বানভাসি পরিস্থিতির মোকাবিলায় আরামবাগ মহকুমার বিধায়কদের সঙ্গে আগাম বৈঠক জেলাশাসকের, বাঁধ পরিদর্শন পর্যাপ্ত ত্রাণ ওষুধ মজুতের নির্দেশ

আরামবাগে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলাশাসক বৈঠক করেছেন বিধায়কদের সঙ্গে। প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও স্বাস্থ্য সামগ্রী মজুতের নির্দেশ। বিস্তারিত পড়ুন।

বানভাসি পরিস্থিতির মোকাবিলায় আরামবাগ মহকুমার বিধায়কদের সঙ্গে আগাম বৈঠক জেলাশাসকের, বাঁধ পরিদর্শন পর্যাপ্ত ত্রাণ ওষুধ মজুতের নির্দেশ
  • ১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আগাম বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরামবাগ মহকুমার চার বিধায়ককে নিয়ে বৈঠক করলেন হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি। মঙ্গলবার আরামবাগে মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে ওই বৈঠক হয়। তার আগে জেলাশাসক খানাকুলে বাঁধ সহ সেচদপ্তরের একাধিক কাজ পরিদর্শন করেন। খানাকুল-২ ব্লকে বিদ্যুতের সাবস্টেশন করার জন্য জয়রামপুরে একটি জমিও খতিয়ে দেখেন। তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক সহ খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষও ছিলেন। পরে পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ, আরামবাগের হেমন্ত বাগ ও গোঘাটের প্রশান্ত দিগার বৈঠকে যোগ দেন। 

Advertisement

খানাকুলের বিধায়ক বলেন, খানাকুলে অন্যান্য সমস্যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। বিভিন্ন জায়গায় দিনে সাত-আট ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে। সমস্যার কথা মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছি। সেইমতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। তাই এদিন সাবস্টেশন তৈরির জন্য প্রস্তাবিত জায়গার অবস্থান খতিয়ে দেখা হয়েছে। তারসঙ্গে বন্যা মোকাবিলা নিয়েও এদিন প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বঙ্গে বর্ষার মরশুম শুরু হয়ে গিয়েছে। অতিবৃষ্টি ও ডিভিসির ছাড়া জলে প্রতি বছর আরামবাগ মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ব্যাপক দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয় বাসিন্দাদের। বিগত তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভাব, বঞ্চনা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা। এবার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাই বিজেপি সরকারের চ্যালেঞ্জ। তাই দ্রুত যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় তারজন্য প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন বিধায়করা। এদিন বৈঠকে জেলাশাসক সহ মহকুমা ও ব্লক প্রশাসনের অধিকারিকরা ছিলেন। 
প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগে ফের একবার দুর্বল নদীবাঁধের অংশ চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারসঙ্গে বন্যার সময় সাপ সহ নানা পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়ে। দুর্গতদের নানা ধরনের শারীরিক সমস্যাও হয়। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনাম সহ অন্যান্য জরুরি ওষুধ মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরকে। ত্রাণ শিবিরগুলির পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। বন্যাত্রাণ, নৌকা প্রস্তুত রাখার নির্দেশও দিয়েছেন জেলাশাসক।   নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ