সংবাদদাতা, সিউড়ি: উৎসবের দিনগুলিতে হোমের শিশু-কিশোর-কিশোরীরা যেন আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়। এই লক্ষ্যেই বীরভূম জেলা প্রশাসন সবক’টি হোমের আবাসিকদের নিয়ে পুজো পরিক্রমার ব্যবস্থা করছে এবছরও। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে উপহারও।
সংবাদদাতা, সিউড়ি: উৎসবের দিনগুলিতে হোমের শিশু-কিশোর-কিশোরীরা যেন আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়। এই লক্ষ্যেই বীরভূম জেলা প্রশাসন সবক’টি হোমের আবাসিকদের নিয়ে পুজো পরিক্রমার ব্যবস্থা করছে এবছরও। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে উপহারও।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এবছরও দুর্গাপুজোর দু’ দিন হোমের আবাসিকদের বাসে চাপিয়ে ঠাকুর দেখানোর ব্যবস্থা করা হবে। প্রত্যেক মহকুমার আধিকারিকরা এই আয়োজন করেন। এবছরও সেরকমই হবে। আবাসিকদের সংশ্লিষ্ট মহকুমার পুজো দেখানো হবে। অর্থাৎ সিউড়ি মহকুমা এলাকার যে সব হোম আছে, তার আবাসিকদের সিউড়ি মহকুমার বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে নিয়ে যাওয়া হবে। ঠিক তেমনই রামপুরহাট ও বোলপুর মহকুমার হোমের আবাসিকদের সংশ্লিষ্ট মহকুমার পুজো মণ্ডপগুলি পরিক্রমা করানো হবে। জেলা শিশু সুরক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশাসন ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা ব্যক্তিরা হোমের আবাসিকদের পুজোর উপহার দিতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে আগাম অনুমোদন লাগবে। প্রতিবছরই অনেক সংস্থা ও ব্যক্তি উপহার দিয়ে থাকেন।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, হোমের সমস্ত আবাসিককে নতুন জামাকাপড় দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসন সরকারি ফান্ড থেকে তা দেবে। পুজোর ক’ দিন আবাসিকরা বাইরেই খাওয়া দাওয়া করবে। প্রতিবছরই প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুজো পরিক্রমার ব্যবস্থা করা হয়। এবছরও হবে। এছাড়া পুজো উপলক্ষ্যে কিছু পোশাক উপহার দেওয়া ও ভালোমন্দ খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এক আবাসিক জানান, পুজোর সময়ে ঠাকুর দেখতে খুব ভালো লাগে। অন্যদের সঙ্গে আমরাও পুজোর আনন্দে মেতে উঠি।