গ্লাসগো: দিলীপ মাহাদু গ্রাভিট। নাসিকের তরুণের নাম গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের আগে হয়তো অনেকেই শোনেননি। প্যারা অ্যাথলেটিকসে দেশকে সোনা এনে দেওয়ার পর সেই দিলীপই এখন জাতীয় নায়ক। চলতি গেমসে দেশকে তৃতীয় সোনা এনে দেওয়ার পর উচ্ছ্বসিত তিনি। স্বপ্নপূরণের খুশিতে বললেন, ‘যাবতীয় পরিশ্রম স্বার্থক। মনে হচ্ছে স্বপ্নের ঘোরে রয়েছি। দুর্ঘটনায় হাত হারিয়েও আজ আর আক্ষেপ নেই।’
চলতি কমনওয়েলথ গেমসে টি৪৭ বিভাগে ১০০ মিটার ফাইনালে ১০.৭১ সেকেন্ডে দৌড়ে সোনা জেতেন দিলীপ। তাঁর নামের পাশে লেখা হয়ে যায় গেমস রেকর্ডও। এই ইভেন্টে রুপো পান ভারতেরই মহম্মদ বাসিল (১০.৮৩ সেকেন্ড)। দেশের অ্যাথলেটিকসের ইতিহাসে বেনজির মুহূর্তই বটে। গুরু বৈজন্ত কালেকে সোনা উৎসর্গ করেছেন দিলীপ। নাসিকের কাছে ছোট্টো গ্রাম ডোঙ্গারিতে তাঁর বেড়ে ওঠা। পাঁচ বছর বয়সে গাছ থেকে পড়ে হাত ভাঙে বিশ্রীভাবে। প্রত্যন্ত এলাকায় ভালো চিকিৎসার অভাবে পচন ধরে হাতে। জীবন বাঁচাতে বাদ দিতে হয় কনুইয়ের নীচের অংশ। তবুও হাল ছাড়েনি দিলীপ। গ্রামের মাঠেই প্যারা অ্যাথলিটের জীবন শুরু। ২০১৯ সালে খেলো ইন্ডিয়া গেমসে প্রথম নজর কাড়েন এই তরুণ। বাকিটা ইতিহাস।