Bartaman Logo
২২ আগস্ট, ২০২৬

বৈদিক যুগে কি কেউ মাংস খেতেন না! মহারাষ্ট্রে ইতিহাস বইয়ে বিতর্ক

মুঘল ইতিহাস থেকে গুজরাত দাঙ্গা। বিজেপি জমানায় ইতিহাসের পাঠ্যবই থেকে অনেককিছুই কাটছাঁট করা হয়েছে।

বৈদিক যুগে কি কেউ মাংস খেতেন না! মহারাষ্ট্রে ইতিহাস বইয়ে বিতর্ক
  • ২২ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: মুঘল ইতিহাস থেকে গুজরাত দাঙ্গা। বিজেপি জমানায় ইতিহাসের পাঠ্যবই থেকে অনেককিছুই কাটছাঁট করা হয়েছে। এনিয়ে মোদি সরকার ও আরএসএস যোগের প্রসঙ্গ তুলে সমালোচনায় সরব বিরোধী দলগুলি। এরইমাঝে মহারাষ্ট্র স্টেট বোর্ডের ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন ইতিহাস বইকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বৈদিক যুগে মানুষজন শাকসবজি খেতেন। তাঁদের খাদ্যতালিকায় মাংসের কোনো চিহ্ন ছিল না। সেইসময় বর্ণ ব্যবস্থা কীভাবে জন্মভিত্তিক জাতি বিভাজন ও সামাজিক বৈষম্যের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছিল, তা বইটির আগের সংস্করণে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। এবার সেই অংশটিও বাদ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসার পরই সরব হয়েছেন দেশের নানা প্রান্তের ইতিহাসবিদরা। তাঁদের কথায়, নতুন বইয়ে অতিরঞ্জিত করে বৈদিক সমাজের একটি সম্প্রীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। অতীতে মাংস খাওয়ার অনেক প্রমাণ, নথি থাকা সত্ত্বেও সেগুলি বাদ দেওয়া হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে তৎকালীন সময়ের জটিল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতাকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। যা মেনে নেওয়া যায় না। বইয়ের নতুন সংস্করণে বলা হয়েছে, বৈদিক যুগে মানুষজন শস্য, দুধ, দই, ঘি, মধু ও শাকসবজি খেতেন। যদিও সংস্কৃত পণ্ডিত বাহুলকারের গবেষেণায় প্রাচীন ও মধ্যযুগের খাদ্যাভাস সম্পর্কে ভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, সেইসময় ষাঁড়, ছাগল, ভেড়া, মোষ, ঘোড়ার মাংস খাওয়ার চল ছিল। মাছও খাওয়া হত। একই বক্তব্য সাবিত্রীবাই ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রধান শ্রদ্ধা কুম্বোজকারেরও।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ