কথায় বলে, ‘নামে কী বা আসে যায়!’ কিন্তু নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অনেক কিছুই। বিশেষত রাস্তার ক্ষেত্রে। নাহলে দিকভ্রষ্ট হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তাছাড়া এই নামকরণের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অনেক পুরনো ইতিহাস। ঐতিহ্য। তবে নামকরণ নিয়েও আছে নানা মত।
Advertisement
প্রথমেই পা রাখা যাক শ্যামপুকুর স্ট্রিটে। এই রাস্তার নামকরণ নিয়ে একাধিক বহুল প্রচলিত মত আছে। ‘শ্যাম’-এর নাম অনুসারে যে এই এলাকার নাম শ্যামপুকুর, তা নিয়ে সকলেই প্রায় একমত। কিন্তু গোল বেধেছে পদবিতে। উত্তর কলকাতা ও শহরতলির বিভিন্ন পত্রপত্রিকা থেকে জানা যায়, শ্যাম বসাকের নাম অনুসারে এই অঞ্চলের নাম হয় শ্যামপুকুর স্ট্রিট। এই অঞ্চলে শ্যাম বসাকের মস্ত বড় একটি পুকুর ছিল। তাঁরই নামে এই এলাকার নাম হয় শ্যামপুকুর।
এদিকে, শ্যামল ঘোষ সম্পাদিত ‘দেশকাল’ পত্রিকায় ১৯৯৫ সালের এপ্রিল মাসের ‘দৃষ্টিপাত’ সংখ্যায় ‘নাম দিয়ে যায় চেনা’ নিবন্ধে উল্লেখ রয়েছে—‘প্রাণকৃষ্ণ দত্ত তাঁর ‘নব্য ভারত’ প্রবন্ধ লিখছেন—‘পূর্বে শ্যামাচরণ মুখোপাধ্যায় বলে এক ব্রাহ্মণ এই অঞ্চলে বাস করতেন। তাঁর বাটির সামনে নিজের খরচে খোঁড়া দিঘির নামই শ্যামপুকুর। শ্যামবাজার তাঁরই সম্পত্তি।’
আর সরকারি নথি কী বলছে? কলকাতা পুরসভার প্রতিবেদনে দেখা যায়, এই অঞ্চলে শ্যাম মল্লিকের একটি মস্ত বড় দিঘি ছিল। সেটি ভরাট করার পর এক বিরাট অঞ্চল পাওয়া যায়। যা শ্যামপুকুর নামে খ্যাত। এবার হাঁটতে হাঁটতে ভূপেন বোস অ্যাভিনিউতে পা রাখলাম আমরা। যে রাস্তাটির শ্যামবাজারে মোড় থেকে চলে গিয়েছে শ্যামপুকুর রাজবল্লভ পাড়ার দিকে। এই রাস্তার নামকরণ বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ভূপেন্দ্রনাথ বসুর নামে। ভূপেন বসুর রাজনৈতিক হাতেখড়ি হয়েছিল রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। কংগ্রেসের সভাপতিও হয়েছিলেন।
এদিকে, শ্যামল ঘোষ সম্পাদিত ‘দেশকাল’ পত্রিকায় ১৯৯৫ সালের এপ্রিল মাসের ‘দৃষ্টিপাত’ সংখ্যায় ‘নাম দিয়ে যায় চেনা’ নিবন্ধে উল্লেখ রয়েছে—‘প্রাণকৃষ্ণ দত্ত তাঁর ‘নব্য ভারত’ প্রবন্ধ লিখছেন—‘পূর্বে শ্যামাচরণ মুখোপাধ্যায় বলে এক ব্রাহ্মণ এই অঞ্চলে বাস করতেন। তাঁর বাটির সামনে নিজের খরচে খোঁড়া দিঘির নামই শ্যামপুকুর। শ্যামবাজার তাঁরই সম্পত্তি।’
আর সরকারি নথি কী বলছে? কলকাতা পুরসভার প্রতিবেদনে দেখা যায়, এই অঞ্চলে শ্যাম মল্লিকের একটি মস্ত বড় দিঘি ছিল। সেটি ভরাট করার পর এক বিরাট অঞ্চল পাওয়া যায়। যা শ্যামপুকুর নামে খ্যাত। এবার হাঁটতে হাঁটতে ভূপেন বোস অ্যাভিনিউতে পা রাখলাম আমরা। যে রাস্তাটির শ্যামবাজারে মোড় থেকে চলে গিয়েছে শ্যামপুকুর রাজবল্লভ পাড়ার দিকে। এই রাস্তার নামকরণ বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ভূপেন্দ্রনাথ বসুর নামে। ভূপেন বসুর রাজনৈতিক হাতেখড়ি হয়েছিল রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। কংগ্রেসের সভাপতিও হয়েছিলেন।



