


নয়াদিল্লি: মুম্বইয়ের ধারাভি বস্তি পুনর্গঠনের কাজে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট। ফলে ওই প্রকল্পের কাজ আদানি গোষ্ঠীর হাতেই থাকছে। ধারাভি বস্তির উন্নয়ন নিয়ে বরাত দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল আমিরশাহির সংস্থা সেকলিঙ্ক টেকনোলজিস কর্পোরেশন। শুক্রবার তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
২০২২ সালে পুরনো বরাত বাতিল করে ধারাভির উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ আদানি গোষ্ঠীকে দেয় তৎকালীন একনাথ সিন্ধের সরকার। ৫ হাজার ৬৯ কোটি টাকায় বরাত পায় এই শিল্পগোষ্ঠী। অথচ ২০১৯ সালে ওই বরাত পেয়েছিল সেকলিঙ্ক। ধারাভির পুর্নগঠনে ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা দর হেঁকেছিল আমিরশাহির সংস্থাটি। সেই বরাত বাতিল করে সরকার। নতুন টেন্ডারে বরাত পায় আদানি গোষ্ঠী। তারপরই বিষয়টি বেআইনি দাবি করে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বিদেশি সংস্থাটি। যদিও হাইকোর্ট ২০২২ সালে মহারাষ্ট্র সরকারের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিতে রাজি হয়নি। এরপর সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানায় সেকলিঙ্ক। পাশাপাশি প্রয়োজনে নিজেদের দরপত্রে আরও ২০ শতাংশ ছাড়তেও রাজি ছিল তারা। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি পিভি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, ইতিমধ্যে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। রেলের কিছু সম্পত্তিও ভাঙা পড়েছে। সুতারং স্থগিতাদেশ দেওয়ার কোনও যুক্তি নেই। একইসঙ্গে মহারাষ্ট্র সরকার ও আদানি প্রপার্টিজকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। আগামী ২৫ মে-র মধ্যে এব্যাপারে তাদের অবস্থান জানাতে বলা হয়েছে।