কোল ইন্ডিয়া-০ : ইস্ট বেঙ্গল-৭
কোল ইন্ডিয়া-০ : ইস্ট বেঙ্গল-৭
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সব উৎসাহ যেন ব্লটিং পেপারে শুষে নিয়েছে কেউ! বিলাল, তন্ময়দের দেখলে মনে হতে বাধ্য, ম্যাচ হেরেছে ইস্ট বেঙ্গল। ৭ গোলে জিতেও লাভ হল না। বরং শনিবার বিকেলে লাল-হলুদ গ্যালারি জুড়ে শুধুই আপশোস, হতাশা। গ্রুপ লিগের পয়েন্ট চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডে ক্যারি ফরোয়ার্ড হয়নি। তাই গোটা লিগে অপরাজিত থেকেও রানার্স ইস্ট বেঙ্গল। লিগে সর্বাধিক গোলও তাদের (৩৫)। আসলে সুপার সিক্সে ইউনাইটেড ও মহমেডানকে হারাতে ব্যর্থ লাল-হলুদ ব্রিগেড। সেটাই ফারাক গড়ে দিল। সেরা ছয়ে মোহন বাগানের (৭) চেয়ে ২ পয়েন্ট পিছিয়ে লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাব। তিন দশক আগের কথা মনে পড়ছে অনেকেরই। সেবার অন্য ফরম্যাটে জাতীয় লিগ আয়োজিত হয়। গ্রুপ লিগে অনেকটা এগিয়ে থেকেও খেতাব অধরাই থাকে ইস্ট বেঙ্গলের।
এদিন ঘরের মাঠে প্রিয় দলের খেলা দেখার পাশাপাশি সমর্থকদের নজর মোহন বাগান-মহমেডান স্পোর্টিং ম্যাচের ফলের দিকে। কোল ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে শুরুতেই বিলালের গোলে এগিয়ে যায় মশাল বাহিনী (১-০)। ১১ মিনিটে হেডে জাল কাঁপান বিজয় মুর্মু (২-০)। বিরতির পর আক্রমণের রোলারে কোণঠাসা কোল ইন্ডিয়া। এরিয়ান গ্যালারিতে বসে অফিস দলের আত্মসমর্পণ দেখলেন সত্যজিৎ চ্যাটার্জি। যাই হোক, ৫৩ মিনিটে জয় বাজের দুরন্ত মাইনাসে ৩-০ আকাশ হেমব্রমের। ৭ মিনিট পরেই লক্ষ্যভেদ বিজয় মুর্মুর (৪-০)। পেনাল্টি থেকে জাল কাঁপালেন তন্ময়ও (৫-০)। সংযোজিত সময়ে ব্যবধান বাড়ান আকাশ হেমব্রম (৬-০) ও উত্তম হাঁসদা (৭-০)। ঘরোয়া লিগ থেকে উঠে আসা একঝাঁক বঙ্গসন্তানই লাল-হলুদের সেরা প্রাপ্তি। ভাঙা দল নিয়েও কোচ অর্চিষ্মানের লড়াইয়ের প্রশংসা করতেই হবে।
এদিকে, বারাকপুরে ভবানীপুর বনাম ইউনাইটেড স্পোর্টস ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়। সংযোজিত সময়ে লাল কার্ড দেখেন ইউনাইটেডের সুময় সোম। লিগে চতুর্থ
ও পঞ্চম স্থানে রইল ভবানীপুর ও ইউনাইটেড স্পোর্টস।