কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজোয় স্পেশাল ট্রেন দেওয়ার দাবি জানিয়ে রেলকে চিঠি
  • ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা,  কৃষ্ণনগর : কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো মানেই সাবেকি প্রতিমা, আলোর রোশনাই, থিমের চমক, ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা আর দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। শহরের ঐতিহ্যবাহী পুজো দেখতে প্রতি বছরই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার, হাজার মানুষ ভিড় জমান। আর সেই বিপুল জনসমাগমের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র কৃষ্ণনগর স্টেশন। তাই পুজোর দিনগুলিতে স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় সামলানো, যাতায়াত সুগম করা এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কৃষ্ণনগর-কালীনারায়ণপুর রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষ্যে আগামী ১৭ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রেন চালানো-সহ গুচ্ছ দাবি জানিয়ে পূর্ব রেলের দপ্তরে চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনের দাবি, পুজোর দিনগুলিতে কৃষ্ণনগর থেকে শিয়ালদা, আমঘাটা, শান্তিপুর ও লালগোলার দিকে অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করতে হবে। পুজো দেখতে আসা মানুষের জন্য ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো গেলে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা এবং অতিরিক্ত ভিড়ের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে তারা। শুধু ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোই নয়, স্টেশনে নেমে যাতে দর্শনার্থীরা সহজেই পুজো পরিক্রমায় বেরিয়ে পড়তে পারেন, সেই ব্যবস্থার উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। অ্যাসোসিয়নের সাধারণ সম্পাদক প্রীতম ভৌমিক বলেন, এই পুজোয় বিভিন্ন স্থান থেকে কৃষ্ণনগরে অসংখ্য দর্শনার্থী আসেন। যাঁর একটা বড়ো অংশ রেলপথ ব্যবহার করেন। কৃষ্ণনগর লোকাল এমনিতেই ভিড়ে পরিপূর্ণ থাকে, জগদ্ধাত্রী পুজোয় এই ভিড়ের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই পুজোর দিনগুলিতে অর্থাৎ ১৭ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত আমরা রেল কর্তৃপক্ষের কাছে অতিরিক্ত স্পেশাল  ট্রেন, স্টেশনে অতিরিক্ত নিরাপত্তা, শহরের বিভিন্ন পুজোর জায়গায় গাইড ম্যাপ টাঙিয়ে রাখা, পানীয় জল সহ শৌচালয়ের সুব্যবস্থা রাখার বিষয়ে লিখিত দাবিপত্র পেশ করেছি।

Advertisement