Bartaman Logo
১৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে ‘সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’-এর দাবি

জাতীয় ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন (পিএমআর) দিবস উপলক্ষ্যে সোমবার উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে ‘সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’-এর দাবি
  • ৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: জাতীয় ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন (পিএমআর) দিবস উপলক্ষ্যে সোমবার উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এদিন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধ ও পুনর্বাসন পরিষেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে একটি বিশেষ প্রচারপত্র প্রকাশ করা হয়। হাসপাতালে একটি ‘সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’ গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন পিএমআর বিভাগের প্রধান পার্থপ্রতিম পান।

Advertisement

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে পিএমআর বিভাগে দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা, স্ট্রোক, পক্ষাঘাত, স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি, ফ্রোজেন শোল্ডার, অস্টিওআর্থ্রাইটিস, শিশুদের স্নায়বিক সমস্যা এবং স্পোর্টস ইনজুরি সহ বিভিন্ন রোগের আধুনিক চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি ফ্লুরোস্কোপি, এনসিএস-ইএমজি, আল্ট্রাসাউন্ড, পিআরপি, লেজার থেরাপি, ক্রায়োথেরাপি ও বায়োফিডব্যাকের মতো আধুনিক প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন, গেইট ল্যাব, অকুপেশনাল থেরাপি ও কৃত্রিম অঙ্গ তৈরির সুবিধা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।
বিভাগের প্রধান পার্থপ্রতিম পান বলেন, বর্তমানে স্ট্রোক ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তাঁদের দ্রুত সুস্থ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে ফিজিক্যাল মেডিসিনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে পরিকাঠামো ও জনবলের অভাবে পরিষেবা দিতে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রতিদিন বিভাগে ৪০০ থেকে ৪৫০ জন রোগী আউটডোরে আসেন। অথচ মাত্র তিনজন চিকিৎসক ও দু’জন ফিজিওথেরাপিস্ট এই বিপুল চাপ সামলাচ্ছেন। অন্যান্য জেলা হাসপাতালে যেখানে আটজন পর্যন্ত ফিজিওথেরাপিস্ট রয়েছেন, সেখানে উত্তরবঙ্গ মেডিকেলে মাত্র দু’জন কর্মরত। এছাড়া স্পিচ থেরাপির সুবিধা না থাকায় বহু রোগীকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত খরচ করে চিকিৎসা করাতে হচ্ছে।
ডাঃ পান আরও জানান, হাসপাতালে এখনও পিএমআর-এর ইনডোর পরিষেবা চালু হয়নি। তাঁর মতে, স্ট্রোক বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের নিয়মিত পুনর্বাসনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি রেখে ধারাবাহিক চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি। তাই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি ‘সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’ গড়ে তোলার দাবি জানান তিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ