পুনেতেই মৃত পরিযায়ী শ্রমিক দীপু দাসের দেহ আজ, শনিবার সৎকার করা হল। তবে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের ওই শ্রমিকের মৃত্যুর কারণ নিয়ে পুরোপুরি সংশয়মুক্ত হতে পারল না পরিবার। এদিন মৃতের পরিবারের দুই সদস্য একবার পুনের সাংগাভি থানা, একবার সাসুন হাসপাতালে ছোটাছুটি করেন। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাননি তাঁরা। দেড় মাসের আগে ওই রিপোর্ট মিলবে না বলে হাসপাতালের তরফে তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে আগামী কাল, রবিবার রাজগঞ্জের বিন্নাগুড়ি পঞ্চায়েতের আমবাড়িতে ফিরে আসছেন মৃতের পরিজনরা। এদিন রাতে ফোনে যোগাযোগ করা হলে মৃতের ভাই অপু দাস বলেন, পুনেতে আমাদের বলা হল, দাদা নেশা করে পড়ে গিয়েছিল। এতে তার ঘাড়ে লাগে। এরপর চিকিৎসার জন্য দাদাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার প্রয়োজনে দাদার গলায় ফুটো করে পাইপ ঢোকাতে হয়। সেই কারণেই সেখানে ওরকম দাগ বলে মনে হচ্ছিল ছবিতে। মৃতের ভাইয়ের বক্তব্য, আমাদের সঙ্গে এক পুলিস অফিসার রয়েছেন। তিনি সবটা শুনেছেন। সেই মতো শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটকে রিপোর্ট করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ করব। মায়ের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান রয়েছে। ফলে আমাদের বাড়িতে ফিরতেই হবে।



