নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গঙ্গাকে কে বেশি দূষিত করছে, শহর না গ্রাম? জবাবে এতদিন সবাই চোখ বুঝে বলে দিতেন ‘শহর’। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, গঙ্গা দূষণে গ্রামের ভূমিকাও কম নয়। গঙ্গার পাড় সংলগ্ন জেলাগুলির দেড় হাজার গ্রামের প্রায় ৪০০ নর্দমা, নালা থেকে দূষিত জল, নোংরা, আবর্জনা মিশছে নদীতে। রাজ্য সরকারের পঞ্চায়েত দপ্তরের এক সমীক্ষায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গঙ্গা দূষণ রোধে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার তৎপর হলেও গ্রামীণ এলাকার এমন ছবি স্বভাবতই চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে প্রশাসনের কপালে।
Advertisement
কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রাজ্যের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তাতে বলে হয়, গঙ্গা তীরবর্তী যেসব এলাকা রয়েছে, সেখানকার নোংরা জল পাইপ বা নিকাশির মাধ্যমে নদীতে ফেলা বন্ধ করতে হবে। কোথায় কোথায় এমন ঘটছে, সমীক্ষা করে তার রিপোর্ট দিতে হবে। সেই কাজ কিছুদিন আগে শেষ করেছে রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তর। সমীক্ষা করতে গিয়ে আধিকারিকরা দেখেন, কোথাও বড় ড্রেন থেকে নোংরা জল সরাসরি গিয়ে পড়ছে নদীতে। কোনও জায়গায় আবার ড্রেনের জল খালে গিয়ে মিশছে। সেই খাল গিয়ে মিশেছে গঙ্গায়। আরও নানা ধরনের অসচেতনতার ছবি ধরা পড়ে সমীক্ষকদের চোখে। হাল দেখে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত প্রশাসনকে এনিয়ে প্রশ্নও করে সমীক্ষক দল। সূত্রের খবর, কোনও পঞ্চায়েতই যুক্তিযুক্ত জবাব দিতে পারেনি।
এদিকে, এই সমীক্ষার আগে থেকেই গঙ্গা তীরবর্তী প্রায় দেড় হাজার গ্রাম চিহ্নিত করা হয়েছিল। এবারে আরও ৬১টি গ্রামকে নতুন করে চিহ্নিত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মূলত সাতটি জেলায় গঙ্গা দূষণ নিয়ে উদাসীনতার ছবি বেশি। হুগলির ২০টি, নদীয়ার প্রায় ৫০টি, মুর্শিদাবাদ ও হাওড়ায় শতাধিক, মালদহে ১৫, পূর্ব বর্ধমানে ৮৪ টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় দু’টি নালা ও ড্রেনের খোঁজ পেয়েছেন আধিকারিকরা, যেগুলির বয়ে আনা জল ও আবর্জনা দূষিত করছে গঙ্গাকে। দপ্তর সূত্রে খবর, সমীক্ষার রিপোর্ট দিল্লিতে পাঠানো হবে। সেখান থেকে যেমন নির্দেশ আসবে, সেভাবেই হবে পরবর্তী পদক্ষেপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেখানে দূষিত জল সরাসরি নদীতে পড়ছে, সেখানেই ওই জল শোধন করে ফেলতে হবে। অথবা, নালা বন্ধ করে জল অন্যত্র ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে। এক আধিকারিক বলেন, ‘স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির এ ব্যাপারে উদাসীনতা স্পষ্ট। বারবার এ বিষয়ে গুরুত্ব আরোপের কথা বলা হলেও কেউই যে কর্ণপাত করেনি, সমীক্ষায় সেটাই বোঝা গেল।’ নিজস্ব চিত্র
এদিকে, এই সমীক্ষার আগে থেকেই গঙ্গা তীরবর্তী প্রায় দেড় হাজার গ্রাম চিহ্নিত করা হয়েছিল। এবারে আরও ৬১টি গ্রামকে নতুন করে চিহ্নিত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মূলত সাতটি জেলায় গঙ্গা দূষণ নিয়ে উদাসীনতার ছবি বেশি। হুগলির ২০টি, নদীয়ার প্রায় ৫০টি, মুর্শিদাবাদ ও হাওড়ায় শতাধিক, মালদহে ১৫, পূর্ব বর্ধমানে ৮৪ টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় দু’টি নালা ও ড্রেনের খোঁজ পেয়েছেন আধিকারিকরা, যেগুলির বয়ে আনা জল ও আবর্জনা দূষিত করছে গঙ্গাকে। দপ্তর সূত্রে খবর, সমীক্ষার রিপোর্ট দিল্লিতে পাঠানো হবে। সেখান থেকে যেমন নির্দেশ আসবে, সেভাবেই হবে পরবর্তী পদক্ষেপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেখানে দূষিত জল সরাসরি নদীতে পড়ছে, সেখানেই ওই জল শোধন করে ফেলতে হবে। অথবা, নালা বন্ধ করে জল অন্যত্র ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে। এক আধিকারিক বলেন, ‘স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির এ ব্যাপারে উদাসীনতা স্পষ্ট। বারবার এ বিষয়ে গুরুত্ব আরোপের কথা বলা হলেও কেউই যে কর্ণপাত করেনি, সমীক্ষায় সেটাই বোঝা গেল।’ নিজস্ব চিত্র



