শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: মরুশহর দুবাইতে এ রাজ্য, তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাত্রাছাড়া ‘বিনিয়োগ’ চিন্তায় ফেলেছে আয়কর দপ্তর (আইটি) এবং ইডিকে। শেষ পাঁচ বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি সেখানে লগ্নি করেছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। বিনিয়োগের এই বিপুল পরিমাণ টাকার উৎস কী? জানতে সক্রিয় হয়েছে দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সি। দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট এবং ক্রুজ ব্যবসায় লগ্নি করা এই অর্থ কি তাঁরা আয়কর রিটার্নের ‘ফরেন অ্যাসেটে’ দেখিয়েছেন? নাকি উল্লেখ করেছেন ভিন দেশে কেনা সম্পত্তির? অনুসন্ধান কিন্তু শুরু করে দিয়েছে ইডি-আইটি। যদি তা দেখানো না হয়, তবে আইনভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে জরিমানার পাশাপাশি পিএমলএল অ্যাক্টে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরুর ইঙ্গিত মিলেছে ইডি সূত্রে। কেন্দ্রীয় দুই এজেন্সি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এ রাজ্যের ১৭ জন ব্যবসায়ী রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজন আবার ক্রিপ্টো কারেন্সিতে সেখানে বিস্তর লগ্নি করেছেন বলেও দুই এজেন্সি খবর পেয়েছে।
Advertisement
পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের অন্যপ্রান্তে পিএমএলএ অ্যাক্টে তদন্ত করতে গিয়ে ইডির নজরে আসে, বিগত ২০১৭-১৮ সাল থেকে সবচেয়ে বেশি টাকা দুবাইতে গিয়েছে। এই টাকার বেশিরভাগটাই দুর্নীতির আমদানি, কিংবা কর না দেওয়া টাকা। হাওলার মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে, বা দুবাইয়ের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে কাগুজে লেনদেন দেখিয়ে টাকা পাঠানো হয়েছে। এ রাজ্য সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন দুবাইতে একাধিক ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্টও খুলেছে।
দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সি জেনেছে, আরব দুনিয়ার এই দেশে রিয়েল এস্টেট, মল ও ক্রুজে ভারতীয়দের বিনিয়োগের পরিমাণ অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় বেশি। দুবাইতে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করলে সহজেই নাগরিকত্ব মেলে। তাই বিনিয়োগকারী ভারতীয়দের সিংহভাগই সে দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন এবং ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়েও তাঁরা বহাল তবিয়তে সেখানে থেকে যাচ্ছেন। সেখানে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কিনেছেন। দুই এজেন্সির কর্তাদের বক্তব্য, আরব দুনিয়ার এই দেশে সম্পত্তি কিনতে গেলে কেবলমাত্র পাসপোর্ট, যে রিয়েল এস্টেট সংস্থা থেকে কেনা হচ্ছে তার সঙ্গে চুক্তিপত্র এবং দুবাই ল্যান্ড ডিপার্টমেন্টের ছাড়পত্রই যথেষ্ট। নিয়মকানুন অনেক শিথিল হওয়ার কারণে সহজেই সম্পত্তি কিনছেন ভারতীয়রা। ঠিক যেভাবে দুবাইতে সম্পত্তির পাহাড় করেছিল মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিম কাসকর। আইটি-ইডির কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা, দুর্গাপুর-আসানসোল সহ পশ্চিমবঙ্গের এমন জনা ১৭ ব্যবসায়ী রয়েছেন, যাঁদের সম্পত্তি রয়েছে দুবাইতে। এক একটি সম্পত্তির দাম কয়েক কোটি টাকার উপর। এর বাইরে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের ব্যবসায়ীদের একটা বড় অংশের দুবাইতে বিনিয়োগের পাশাপাশি বিপুল সম্পত্তিও করেছে বলে খবর। দীর্ঘদিন ধরে এমন ব্যবসায়ীদের উপর নজর রাখছিল ইডি-আইটি। সূত্রের খবর, এবার অর্থমন্ত্রকের মাধ্যমে দুবাই সরকারের কাছে সে দেশে ভারতীয়দের বিনিয়োগ ও সম্পত্তির তালিকা চেয়েছে আইটি দপ্তর। চিঠি দিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে, সেদেশে ভারতীয়দের বিনিয়োগ ও সম্পত্তির পরিমাণ কত এবং কারা কারা তা কুক্ষিগত করে রেখেছেন। সূত্রের খবর, নির্দিষ্ট একটি তালিকাও হাতে এসেছে এজেন্সির। সব কিছু খতিয়ে দেখে, সন্দেহভাজন লগ্নিকারীদের বিরুদ্ধে ইডি ব্যবস্থা নেবে।
দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সি জেনেছে, আরব দুনিয়ার এই দেশে রিয়েল এস্টেট, মল ও ক্রুজে ভারতীয়দের বিনিয়োগের পরিমাণ অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় বেশি। দুবাইতে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করলে সহজেই নাগরিকত্ব মেলে। তাই বিনিয়োগকারী ভারতীয়দের সিংহভাগই সে দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন এবং ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়েও তাঁরা বহাল তবিয়তে সেখানে থেকে যাচ্ছেন। সেখানে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কিনেছেন। দুই এজেন্সির কর্তাদের বক্তব্য, আরব দুনিয়ার এই দেশে সম্পত্তি কিনতে গেলে কেবলমাত্র পাসপোর্ট, যে রিয়েল এস্টেট সংস্থা থেকে কেনা হচ্ছে তার সঙ্গে চুক্তিপত্র এবং দুবাই ল্যান্ড ডিপার্টমেন্টের ছাড়পত্রই যথেষ্ট। নিয়মকানুন অনেক শিথিল হওয়ার কারণে সহজেই সম্পত্তি কিনছেন ভারতীয়রা। ঠিক যেভাবে দুবাইতে সম্পত্তির পাহাড় করেছিল মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিম কাসকর। আইটি-ইডির কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা, দুর্গাপুর-আসানসোল সহ পশ্চিমবঙ্গের এমন জনা ১৭ ব্যবসায়ী রয়েছেন, যাঁদের সম্পত্তি রয়েছে দুবাইতে। এক একটি সম্পত্তির দাম কয়েক কোটি টাকার উপর। এর বাইরে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের ব্যবসায়ীদের একটা বড় অংশের দুবাইতে বিনিয়োগের পাশাপাশি বিপুল সম্পত্তিও করেছে বলে খবর। দীর্ঘদিন ধরে এমন ব্যবসায়ীদের উপর নজর রাখছিল ইডি-আইটি। সূত্রের খবর, এবার অর্থমন্ত্রকের মাধ্যমে দুবাই সরকারের কাছে সে দেশে ভারতীয়দের বিনিয়োগ ও সম্পত্তির তালিকা চেয়েছে আইটি দপ্তর। চিঠি দিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে, সেদেশে ভারতীয়দের বিনিয়োগ ও সম্পত্তির পরিমাণ কত এবং কারা কারা তা কুক্ষিগত করে রেখেছেন। সূত্রের খবর, নির্দিষ্ট একটি তালিকাও হাতে এসেছে এজেন্সির। সব কিছু খতিয়ে দেখে, সন্দেহভাজন লগ্নিকারীদের বিরুদ্ধে ইডি ব্যবস্থা নেবে।



