Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

পেনশন তুলতে শাশুড়িকে পীঠে নিয়ে ৯ কিলোমিটার দূরের ব্যাংকে পাড়ি বউমার

কাঠফাটা রোদ। গলদঘর্ম অবস্থা। তার মধ্যে পীঠে চাপিয়েছেন ৯০ বছরের শাশুড়িকে। তাঁর ভারে প্রায় ঝুঁকে পড়েছে শরীর। তবু তিনি হাঁটছেন।

পেনশন তুলতে শাশুড়িকে পীঠে নিয়ে ৯ কিলোমিটার দূরের ব্যাংকে পাড়ি বউমার
  • ২৫ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রায়পুর: কাঠফাটা রোদ। গলদঘর্ম অবস্থা। তার মধ্যে পীঠে চাপিয়েছেন ৯০ বছরের শাশুড়িকে। তাঁর ভারে প্রায় ঝুঁকে পড়েছে শরীর। তবু তিনি হাঁটছেন। খালি পায়ে জঙ্গল-নদী-পাথুরে রাস্তা পেরোচ্ছেন। যেভাবেই হোক পৌছতে হবে ৯ কিমি দূরের ব্যাংকে। সেখানে মিলবে শাশুড়ির পেনশনের টাকা। অংকটা মাত্র ১৫০০। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়েছে, উপভোক্তা স্বশরীরে না এলে কানাকড়িও মিলবে না। তাই বাধ্য হয়ে হাঁটা চলা করতে অক্ষম বৃদ্ধা শাশুড়িকে পীঠে চাপিয়ে ব্যাংকে যাচ্ছেন বউমা। ঘটনার ভিডিয়ো দেখে শোরগোল পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রশ্ন উঠছে, এত দূরের রাস্তায় কোনো গণপরিবহন চলে না? উত্তরটা না। ছত্তিসগড়ের সুরগুজা জেলার মইনপাত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি হয়নি। তরাই অঞ্চলে কোনো গণপরিবহনের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। ব্যক্তিগত বাহন  থাকলেও তা চালানোর মতো রাস্তা নেই। তাই ব্যাংক সহ বিভিন্ন পরিষেবার জন্য হেঁটেই দীর্ঘ পথ পেরোতে হয় এখানকার মানুষকে। সকলের সেই সক্ষমতা নেই। যেমন ৯০ বছর বয়সি বৃদ্ধা। এদিকে পেনশনের টাকা না তুললে সংসার চলবে না। তাই বউমার কাঁধে চড়েই যেতে হচ্ছে ব্যাংকে। স্থানীয়দের দাবি, আগে পেনশনের টাকা স্থানীয়ভাবে পাঠিয়ে দেওয়া হত প্রত্যন্ত এলাকার উপভোক্তাদের কাছে। এখন তা পুরোপুরি বন্ধ। তাই ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে অনেককে। ছবি: সমাজমাধ্যম। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ