Bartaman Logo
১৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পরিবহণ দপ্তরের চেকপোস্টে দাদাগিরি ট্যাক্স আদায়, পদক্ষেপের বার্তা আনন্দের

উত্তরবঙ্গের অসম সীমানার বক্সিরহাট ও বারোবিশায় আছে পরিবহণ দপ্তরের চেকপোস্ট।

পরিবহণ দপ্তরের চেকপোস্টে দাদাগিরি ট্যাক্স আদায়, পদক্ষেপের বার্তা আনন্দের
  • ১৯ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সন্দীপন দত্ত, কোচবিহার: উত্তরবঙ্গের অসম সীমানার বক্সিরহাট ও বারোবিশায় আছে পরিবহণ দপ্তরের চেকপোস্ট। অভিযোগ, ওই দুই চেকপোস্ট থেকেই চলছে দাদাগিরি ট্যাক্স আদায়। দু’টি চেকপোস্টে আছে চারটে ওয়েব্রিজ, যেখানে পণ্য বোঝাই লরি ওজন করার নামেই নেওয়া হচ্ছে ওই ট্যাক্স। অতিরিক্ত টাকা না দিলে হুমকি, মারধর করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ট্রাকচালক, মালিকদের। পরিবহণ দপ্তরের নজরদারির অভাবেই এই ঘটনা বলে অভিযোগ। গোটা বিষয়টি জানিয়ে ইতিমধ্যেই ট্রাক মালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে কোচবিহার আরটিও, পরিবহণমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এ নিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ অর্থ ও পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন। 

Advertisement

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেন অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হবে, তা আমি নিজে খতিয়ে দেখব। দপ্তরের যারা এই বিষয়টি দেখেছেন, তাঁদের বলব ভবিষ্যতে যেন এই জিনিস না ঘটে। 
কোচবিহারের আঞ্চলিক পরিবহণ আধিকারিকের অধীনে দু’টি আন্তঃরাজ্য ওয়েব্রিজ বা ধর্মকাঁটা রয়েছে। একটি আলিপুরদুয়ার জেলার বারোবিশায়, অন্যটি কোচবিহারের বক্সিরহাটে। এই দু’টি সীমানাই অসম সহ উত্তর-পূর্ব ভারতে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা। 
পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগের সরকার পিপিপি মডেলে এই ওয়েব্রিজ দু’টি চালু করে। তবে দু’টিই কোচবিহার আরটিওর অধীনে। পিপিপি মডেল হওয়ায় বেসরকারি সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়েছে। বারোবিশা হয়ে প্রতিদিন গড়ে দু’হাজার ও বক্সিরহাট দিয়ে এক হাজার পণ্যবাহী লরি অসম সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে চলাচল করে। 
কোচবিহার জেলা মাল্টি এক্সেল ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কমলরাজ ছেত্রীর অভিযোগ, আগের রাজ্য সরকার এই দু’টি ধর্মকাঁটার ফি ২৩৬ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। যা এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। কিন্তু, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে খুচরোর অভাবে ট্রাক চালকরা ৫০০ টাকা দিলে তাঁদের ২০০ কিংবা ২৫০ টাকা ফেরত দিচ্ছে। বাকি টাকা ফেরত চাইলে ধর্মকাঁটাতেই দাঁড়িয়ে থাকা একদল ছেলে চালকদের সঙ্গে বচসায় জড়াচ্ছে। চালকরা জোরগলায় প্রতিবাদ করলে গালাগালি, সঙ্গে জুটছে মারধরও। আমাদের প্রশ্ন, অতিরিক্ত টাকা কোথায় জমা হচ্ছে। 
বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই পরিবহণমন্ত্রীকে চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছে কোচবিহার জেলা মাল্টি এক্সেল ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। অভিযোগ পত্রের প্রতিলিপি দেওয়া হয়েছে কোচবিহারের ডিএম, আরটিও এবং বক্সিরহাট ও বারোবিশা চেকপোস্টের এমভিআইকে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ