নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কৃষকদের সঙ্গে নিয়ে রাজ্যজুড়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি যাচাইয়ের কাজ চলছে। বাংলা শস্যবিমার অধীন ফসলের ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দেয় রাজ্য। এই প্রকল্প নিয়েই বুধবার নবান্নে জেলার আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করলেন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কৃষিসচিব ওঙ্কার সিং মিনা সহ দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকরা। এই বৈঠকেই কৃষকদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিপূরণের যাচাইয়ের কাজের প্রশংসার পাশাপাশি কোনও ভাবেই যাতে সেই কাজে খামতি না দেখা যায়, সেই ব্যাপারে জেলায় নিযুক্ত কৃষিদপ্তরের আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই ক্ষেত্রে রাজ্যের একজন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকও যাতে বঞ্চিত না হন, সে বিষয় সতর্ক করা হয়েছে আধিকারিকদের। খরিফ মরশুমে যৎসামান্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর বিষয়টি আগামী সাতদিনের মধ্যে শেষ করারও সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও, সারের কালোবাজারি এড়াতে আধিকারিকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বর্তমানে সারের কোনও ঘাটতি না থাকলেও এবিষয়ে এলাকায় এলাকায় ঘুরে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও মতেই পস মেশিনে এন্ট্রি ছাড়া সার বিক্রি হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। এমনিতেই সারের দামের বাড়িয়েছে কেন্দ্র। এইমতো অবস্থায় কৃষকদের যাতে সার পেতে কোনও সমস্যা না হয় সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে এদিনের বৈঠকে।



