Bartaman Logo
২২ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শান্তির পক্ষে লালের মিছিল, নেই গেরুয়া প্রতিরোধ ,আগে দেশের স্বার্থ, মানুষের ঐক্য: বিমান

যুদ্ধ উন্মাদনা, বিভাজন, পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শহরের বুকে শন্তি-সম্প্রীতির মিছিল করল ১০টি বাম দল। আশঙ্কা কাটিয়ে শান্তির পক্ষে এই মিছিল শান্তিতেই শেষ হয়েছে।

শান্তির পক্ষে লালের মিছিল, নেই গেরুয়া প্রতিরোধ ,আগে দেশের স্বার্থ, মানুষের ঐক্য: বিমান
  • ১৪ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যুদ্ধ উন্মাদনা, বিভাজন, পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শহরের বুকে শন্তি-সম্প্রীতির মিছিল করল ১০টি বাম দল। আশঙ্কা কাটিয়ে শান্তির পক্ষে এই মিছিল শান্তিতেই শেষ হয়েছে। আশঙ্কা তৈরির কারণ, সোমবার যুদ্ধ-বিরোধী নাগরিক মিছিলে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘হামলা’ চালানোর অভিযোগ ওঠে। মৌলালি মোড়ে একেবারে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেধে যায়। একই বিষয়ে আজকের মিছিল সেই জায়গা দিয়ে নির্বিঘ্নেই চলে গেল। বাম দলগুলির মিছিলে অন্তত গেরুয়া শিবির ঝামেলা পাকাল না।

Advertisement

বামফ্রন্টের ৮টি দল ছাড়াও এসইউসি ও সিপিআই (এমএল) লিবারেশন এই মিছিলে যোগ দিয়েছিল। স্বভাবতই আকারের দিক থেকে মিছিল ছিল বিশাল। একেবারে প্রথম সারিতে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, সূর্যকান্ত মিশ্রদের সঙ্গে ছিলেন এসইউসির রাজ্য সম্পাদক চণ্ডীদাস ভট্টাচার্য, সিপিআই (এমএল) পলিটব্যুরো সদস্য কার্তিক পাল, সিপিআই নেতা স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। ধর্মতলা থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত এই মিছিল হয়। মিছিল শেষে সভাও হয়। এই মিছিল থেকে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, ‘দেশের স্বার্থ আগে। দেশের মানুষের ঐক্য আগে। ধর্মের বেশে যদি চলার চেষ্টা হলে, সর্বনাশ হবে।’ মিছিল শেষে সভা থেকে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘আমরা বরাবর শান্তির পক্ষে। যুদ্ধ, সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। দেশপ্রেম মানে দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা। সেটা জাত-পাত, ধর্ম নির্বিশেষে। ঐক্য-বিরোধী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দেশের মানুষকে এককাট্টা হতে হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ