Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ফার্মেসি কলেজগুলির বিস্তারিত তথ্য চাইল কাউন্সিল, কোর্সের মান নিশ্চিত করার দাওয়াই

ফের একবার পরীক্ষার মুখে ফার্মেসি কলেজগুলি। ফার্মেসি কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (পিসিআই) তাদের ১২ ধারা অনুযায়ী যাবতীয় তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে কলেজগুলির কাছে।

ফার্মেসি কলেজগুলির বিস্তারিত তথ্য চাইল কাউন্সিল, কোর্সের মান নিশ্চিত করার দাওয়াই
  • ১০ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের একবার পরীক্ষার মুখে ফার্মেসি কলেজগুলি। ফার্মেসি কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (পিসিআই) তাদের ১২ ধারা অনুযায়ী যাবতীয় তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে কলেজগুলির কাছে। এই ধারাই কোনও প্রতিষ্ঠানকে পরীক্ষা নেওয়া এবং কোর্স চালানোর অধিকার নিশ্চিত করে। ১৬ এপ্রিলের মধ্যে এই তথ্য পিসিআইকে পাঠাতে বাধ্য থাকবে কলেজগুলি। এর উপরেই নির্ভর করবে কলেজগুলির ভবিষ্যতের অনুমোদন। জাল ওষুধ নিয়ে সরগরম বাজারে পিসিআইয়ের এই পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

সূত্রের খবর, ডি ফার্ম কলেজগুলিকে গত দু’বছর এবং বি ফার্ম কলেজগুলিকে তিন বছরের তথ্য জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট ফর্মটি পিসিআইয়ের ডিজি-ফার্মেড পোর্টালে মিলবে। তাতে পূরণ করতে হবে শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, পরীক্ষা, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি গবেষণার যন্ত্রপাতি সম্পর্কিত তথ্য। তা যদি পিসিআইয়ের সন্তোষজনক মনে হয়, তাহলেই অনুমোদন পুনর্নবীকরণ করা হবে। না-হলে এই তালিকা থেকে বাদ পড়বে তারা। ইতিমধ্যেই রাজ্যের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়ন সংসদ বড় সংখ্যক ডি ফার্ম কলেজের অনুমোদন বাতিল করেছে। পিসিআইও আলাদাভাবে পরিদর্শন শুরু করেছে। তার পাশাপাশি এই তথ্যও নেওয়া হচ্ছে। ফলে, সাঁড়াশি চাপের মধ্যে কলেজগুলি।
প্রসঙ্গত, কোনও ওষুধের দোকান খোলার জন্য ন্যূনতম ডি ফার্ম শংসাপত্র আবশ্যিক। এই নিয়ম ঢালাওভাবে অপব্যবহার করা হয়, সেটা অবশ্য আলাদা বিষয়। তবে, গোড়ার গলদটি ধরতে চাইছে নিয়ামক সংস্থাগুলি। ছাত্রছাত্রীরা যাতে প্রকৃতপক্ষেই শিক্ষিত হয়ে পেশায় প্রবেশ করেন, সেটাই লক্ষ্য। এক কলেজ প্রশাসক বলেন, জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে প্রথম সারিতে ভারত। তাই, ঠিকভাবে ফার্মেসি কোর্স করলে অনেক চাকরি রয়েছে। ওষুধের ই-কমার্স সংস্থাগুলিতে এঁদের চাহিদা রয়েছে। তবে, মান নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ