বিশেষ সংবাদদাতা, গুয়াহাটি: অসমে গণবন্টন ব্যবস্থায় বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ। রাজ্যে আর্থিক দিক থেকে অনগ্রসরদের জন্য সরকারি ভর্তুকিতে বরাদ্দ করা প্রায় ৩১,০০০ মেট্রিক টন চাল বেআইনিভাবে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই চালের বাজারমূল্য প্রায় ১৪৩ কোটি টাকা। এই ঘটনায় ভিজিলেন্স তদন্তের পর নর্থ ইস্টার্ন রিজিওনাল এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেড তথা নেরাম্যাক এবং ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে খবর।
সূত্রের খবর, সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হরিয়ানার একটি বেসরকারি সংস্থার কাছে বিক্রি করা হয় ওই চাল। এই ঘটনায় দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ সামনে আসতেই তদন্ত শুরু হয়। এই বেনিয়মের এর নেপথ্যে নেরাম্যাক ও এফসিআই-এর কিছু আধিকারিক জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রক এবং এফসিআই এর ভিজিলেন্স শাখার যৌথ তদন্তের পর নেরাম্যাকের দুই আধিকারিক ভাস্কর বরুয়া এবং অঞ্জল কুমার দত্তকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও, এফসিআইয়ের দিল্লি কার্যালয়ের একাধিক আধিকারিকের বিরুদ্ধেও এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।