Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিতের মন্তব্যে বিতর্ক

ভোটের সময় কৃষকদের ঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতি। কিন্তু ভোটে জেতার পর এমন দাবি করায় কৃষকদের ঘাড়েই দোষ চাপানোর চেষ্টা?

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিতের মন্তব্যে বিতর্ক
  • ২ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০

মুম্বই: ভোটের সময় কৃষকদের ঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতি। কিন্তু ভোটে জেতার পর এমন দাবি করায় কৃষকদের ঘাড়েই দোষ চাপানোর চেষ্টা? মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের মন্তব্যে এমনই বিতর্ক দানা বেধেছে। ঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতি রক্ষার দাবিতে পথে নেমেছেন মহারাষ্ট্রের কৃষকরা। এই পরিস্থিতিতে অজিতের খোঁচা, ঋণ মুকুবের দাবি জানানো কৃষকদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কেন কৃষকরা সবকিছু বিনামূল্যে পাবেন, এই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।  একইসঙ্গে এনসিপি (অজিত) নেতা স্বীকার করে নিয়েছেন যে, ‘২০২৪ সালের বিধানসভা ভোটে জেতার জন্য ঋণ মবুকের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আমরা। কিন্তু এই এখন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়। এর জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন।’

Advertisement

এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অজিত বলেন, ‘প্রাক্তন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শরদ পাওয়ারের আমলে কৃষকদের ফসল ঋণ মুকুব করা শুরু হয়। পরে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ ও উদ্ধব থ্যাকারের সরকারও এই কাজ করেছে।’ কৃষি ঋণ মকুবের দাবি ভালো অভ্যাস নয় বলেও মন্তব্য করেছেন অজিত। তাঁর এই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিরোধী শিবির। মহারাষ্ট্র কংগ্রেস সভাপতি হর্ষবর্ধন সাপকাল বলেন, ‘ভোটের আগে ঋণ মুকুবের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মহাযুতি জোট। এখন ক্ষমতায় এসে সেই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাচ্ছে তারা। এর থেকেই স্পষ্ট হয়, এই সরকার কৃষকদের সমস্যার প্রতি উদাসীন।’ 
অন্যদিকে, কৃষক নেতা বিজয় জাওয়ানদিয়া বলেন, ‘সরকার যদি ফসলের ন্যায্য দাম দেয়, তাহলে কৃষকদের ঋণ মুকুবের দাবি জানানোর প্রয়োজনই হবে না। তুলো ও সোয়াবিন এখনও ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের চেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। অথচ সার ও কীটনাশকের দাম বেড়েছে বহুগুণ।’ 

সম্পর্কিত সংবাদ