নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের জিডিপির ক্ষেত্রে সমবায়গুলোর অবদান বাড়বে তিনগুণ পর্যন্ত। দেশের প্রত্যেক গ্রামে অন্তত একটি করে সমবায় থাকবে। এর সঙ্গে জুড়ে যাবে আরও ৫০ কোটি মানুষ। বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল কো-অপারেশন পলিসি, ২০২৫ চালু করে এই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ। একইসঙ্গে রাজ্যগুলির উদ্দেশে তাঁর বার্তা, অবিলম্বে এই জাতীয় সহকারিতা নীতি কার্যকর হোক। এর ফলে আদতে দেশের অর্থনীতিরও উন্নতি হবে। তিনি জানিয়েছেন, কোনওরকম রাজনৈতিক বিতর্কে না গিয়ে প্রত্যেক রাজ্যই নতুন এই নীতির ব্যাপারে কেন্দ্রের সঙ্গে সহমত হয়েছে। ২০২৫ সালের জাতীয় সহকারিতা নীতির মাধ্যমে প্রধানত দেশের সমবায় ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করতে উদ্যোগী হয়েছে মোদি সরকার। সমবায়গুলোর হাতে আরও বেশি আর্থিক স্বাধীনতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে অবশ্য এদিন নাম না করে দেশের পূর্বতন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের সমালোচনা করেছেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর ৭৫ বছর কেটে গেলেও সহকারিতা মন্ত্রক তৈরির কথা কেউ চিন্তা করেননি। মোদি সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসে এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নিয়েছে। সমবায়গুলোর উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে ২৩ বছর আগে নীতি প্রণয়ণ করা হয়েছিল। ঘটনাচক্রে তখনও কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ির নেতৃত্বাধীন বিজেপি তথা এনডিএ সরকার ছিল। এতগুলো বছর পরে যখন আবার সেই নীতির প্রণয়ণ হচ্ছে, তখনও কেন্দ্রে ক্ষমতায় বিজেপিই। এবার থেকে প্রতি ১০ বছরে নীতির পর্যালোচনা হবে। প্রসঙ্গত, সর্বভারতীয় এই নীতি প্রণয়নের আগে ৪৮ সদস্যর একটি কমিটি গঠন করেছিল কেন্দ্র। মাথায় ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেশ প্রভু। ৭৫০টি সাজেশন খতিয়ে দেখে এই নীতি প্রণয়ণ করেছে কেন্দ্র।



