


সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কুলপির রামকিশোর গ্রাম পঞ্চায়েতে শুরু হল সাতটি কাঠের সেতুর পুনর্নির্মাণের কাজ। ইতিমধ্যেই দু’টি সেতুর কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তিনটি সেতু নির্মাণের কাজ চলছে। বাকি দুটি সেতুর কাজও শীঘ্রই শুরু হবে। জানা গিয়েছে, এই গ্রাম পঞ্চায়েতের মানিকাগ্রাম, নারায়ণপুর, রায়তলা, হাঁড়া ও কালীতলাতে সাতটি কাঠের সেতু রয়েছে। সেতুগুলি হাঁড়া খালের উপরে অবস্থিত। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এগুলি বেহাল হয়ে পড়েছিল। কোন রকমের বাঁশের ঠেকা দিয়ে এলাকাবাসীরা যাতায়াত করতেন। শেষ পর্যন্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের তৎপরতায় সেচদপ্তর কাঠের সেতুগুলি নতুন করে তৈরি করছে। এক্ষেত্রে বড় তিনটে সেতুর দৈর্ঘ্য রয়েছে ১১০ ফুট। দু’টি ৭০ ও বাকি দু’টি সেতুর দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট।
এবিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা রমেশচন্দ্র মাইতি বলেন, বেহাল সেতুগুলির কারণে খুবই বিপজ্জনকভাবে এলাকাবাসীদের খাল পারাপার করতে হতো। সেতুগুলির তক্তা উঠে গিয়েছিল। বাঁশ বেঁধে যাতায়াত করা হতো। নীচের অংশের ঠেকা দেওয়া বল্লাও নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। বেশ কয়েকটি সেতুর আবার পাশের হাতলও ভেঙে গিয়েছিল। সাইকেল চালিয়ে পারাপার করা যেত না। কোনও ভ্যান বা টোটোও যাতায়াত করতে পারত না। দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার কথা গ্রাম পঞ্চায়েতকে জানানো হয়েছিল। অবশেষে সেতুগুলির নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
রামকিশোর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নাসরিন খাতুন মীর বলেন, এলাকার বাসিন্দারা ভগ্নপ্রায় সেতুগুলিকে ফের নির্মাণের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতে জানিয়েছিলেন। বিষয়টি সেচদপ্তরকে জানানো হয়েছিল। এরপরই সাতটি সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দু’টির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। বাকি পাঁচটির কাজও শীঘ্রই হয়ে যাবে। নির্মাণ হয়ে গেলে এখানকার কয়েক হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। নিজস্ব চিত্র