Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কৃষ্ণনগরে নবায়ণ ক্লাবের পুজোর পরই শুরু হবে স্থায়ী সরস্বতী মন্দির নির্মাণ

৬৭বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে কৃষ্ণনগরের মালোপাড়ার নবায়ণ ক্লাবের সরস্বতীপুজো।

কৃষ্ণনগরে নবায়ণ ক্লাবের পুজোর পরই শুরু হবে স্থায়ী সরস্বতী মন্দির নির্মাণ
  • ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: ৬৭বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে কৃষ্ণনগরের মালোপাড়ার নবায়ণ ক্লাবের সরস্বতীপুজো। এই পুজো শুধু একটি বার্ষিক উৎসব নয়, এলাকার সমাজ-সংস্কৃতির সঙ্গে তা গভীরভাবে সংযুক্ত। এবার নবায়ণ ক্লাবের বাগদেবীর আরাধনায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। এই ক্লাবের উদ্যোগে নদীয়া জেলায় প্রথম স্থায়ী সরস্বতী মন্দির গড়ে উঠছে। এবছর বাগদেবীর আরাধনার পরই কাজ শুরু হবে। এখবরে আবেগে ভাসছেন কৃষ্ণনগরবাসী।

Advertisement

নবায়ণ ক্লাবের সদস্যরা জানান, মালোপাড়ার কিছু শিক্ষানুরাগী ও সংস্কৃতিমনস্ক মানুষের উদ্যোগে এই পুজো শুরু হয়েছিল। বিদ্যার দেবীর আরাধনার মাধ্যমে সমাজে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়া, নবীন প্রজন্মকে মানবিক ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার স্বপ্ন দেখে এই পুজো শুরু করেছিলেন তাঁরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এখন তা এলাকার ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হয়েছে। একসময় ছোট পরিসরে যে পুজো আয়োজিত হত, তা এখন এলাকার সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। আর সবার অংশগ্রহণই এই পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। শিশু থেকে প্রবীণ-সবাইকে যথাসম্ভব পুজোর প্রস্তুতিতে অংশ নিতে দেখা যায়। কেউ আলপনা আঁকেন, কেউ মণ্ডপ সাজান, আবার কেউ পুজোর যাবতীয় জোগাড় করেন। এই সরস্বতীপুজো এলাকার মানুষের মিলনক্ষেত্রে পরিণত হয়। এবার ক্লাবের তরফে স্থায়ী সরস্বতী মন্দির তৈরি শুরু হতে চলেছে। ফলে সারাবছর ধরে বাগদেবীর নিত্যপুজো সম্ভব হবে।

ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট কৌশিককুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, এখানে দেবী মালোপাড়ার ঘরের মেয়ে। ছাত্রছাত্রীদের আশীর্বাদদাত্রী, অভিভাবকদের আশা ও বিশ্বাসের প্রতীক। ২২জানুয়ারি পুজোর উদ্বোধন। পুজো উপলক্ষ্যে ইতিমধ্যে রক্তদান শিবির হয়েছে। পুজোর দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশত করবেন রিয়ালিটি শো খ্যাত যুগলকিশোর। সবাইকে আমাদের পুজোয় আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। • নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ