নিজস্ব প্রতিনিধি, কলাকাতা: বাগেশ্বর বাবা ওরফে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর একটা বক্তব্যে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল সামাজিক মাধ্যমে। পুজোতে আমিষ খাবারে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তাঁর বক্তব্যে প্রতিবাদ করতে রাস্তাতেও নেমেছিল কংগ্রেস সমর্থকরা। বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে গিয়ে রাস্তার মাঝে তাঁর পোস্টার ও ছবিও পোড়ানোরও অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় কাল একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ ফের ভবানীপুর থানার সামনে বিক্ষোভ চলাকালীন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে আরও এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের নাম অতনু দাস। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ রিজেন্ট পার্ক থানা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের অভিযোগ, ৮ সেপ্টেম্বর দুপুর প্রায় ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকেরা ভবানীপুর থানার সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন। তার পরেই সবাইকে চিহ্নিত করে একে একে তাঁদের নামে এফআইআর করা হয়। এফআইআরে নাম রয়েছে দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি প্রদীপ প্রসাদ, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, অতনু দাস-সহ আরও কয়েকজনের। তদন্তকারী পুলিশের দাবি, বিক্ষোভ চলাকালীন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর ছবি-সহ পোস্টার পোড়ানো, পায়ে মাড়ানো এবং জুতো দিয়ে আঘাত করার মতো ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের একাংশের বিরুদ্ধে ওই ব্যক্তিকে নিয়ে অবমাননাকর ও অসম্মানজনক মন্তব্য করারও অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার পর দায়ের হওয়া এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির মধ্যেই অতনু দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। এফআইআরে নাম থাকা অন্য অভিযুক্তদের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং বিক্ষোভের সময়কার ঘটনাবলির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। তদন্ত এখনও অব্যাহত রয়েছে।