Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৩১ জানুয়ারির আগেই কোচবিহার থেকে পুরো বন্ধ বিমান পরিষেবা!

চলতি মাসে কি আর কোচবিহারে বিমান আসবে না! এই প্রশ্নই এখন জেলাবাসীর।

৩১ জানুয়ারির আগেই কোচবিহার থেকে পুরো বন্ধ বিমান পরিষেবা!
  • ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: চলতি মাসে কি আর কোচবিহারে বিমান আসবে না! এই প্রশ্নই এখন জেলাবাসীর। আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন যাঁরা এখান থেকে নিয়মিত বিমানে চেপে কলকাতায় যান কিংবা কলকাতা থেকে এখানে আসেন সেই ব্যবসায়ীরাও। এমনিতেই ৩১ জানুয়ারি থেকে কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে উড়ান চলবে না বলে বর্তমান সে সংস্থা বিমান পাঠায় তারা আগেই জানিয়ে দিয়েছে। এমন অবস্থায় নির্দিষ্ট ওই দিনের আগেই কি বন্ধ হয়ে গেল, চর্চা জেলাজুড়ে। জানুয়ারি মাসের ২১ দিন পার হয়ে গেল। তারমধ্যে মাত্র একদিন অর্থাৎ গত ৮ তারিখ কোচবিহার বিমানবন্দরে বিমান নেমেছে। একটি সংস্থাটি গত তিন বছর ধরে এখানে বিমান চালিয়ে আসছিল। তারা এখানে আর বিমান আনবে না বলে পুজোর পরপরই জানিয়ে দিয়েছে। এদিকে, নতুন একটি সংস্থার সঙ্গে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলেও তারা এখনও এখানে পরিদর্শনে আসেনি। এই পরিস্থিতিতে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এমনিতেই বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে। কিন্তু পরিষেবা বন্ধ হওয়ার অনেক আগে থেকেই কোচবিহার-কলকাতা বিমান চলাচল অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। এই আবহে বিমানের টিকিট বুকিংও বন্ধ হয়ে আছে। কোচবিহারের এয়ারপোর্ট ডিরেক্টর শুভাশিস পাল বলেন, এদিনও বিমান নামেনি। এই মাসে মাত্র একদিনই বিমান নেমেছে। পুরনো বা নতুন সংস্থা কোনও ক্ষেত্রেই যোগাযোগ হয়নি। ফলে নির্ধারিত দিনের অনেক আগে থেকে বিমান চলাচল পুরোপুরি অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। অপারেশনাল কারণ দেখিয়েই পরপর বিমান বাতিল করা হচ্ছে। কোচবিহার জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুরজকুমার ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহারকে হেরিটেজ করার জন্য সাজানোর কাজ শুরু করেছেন। পর্যটকদের জন্য সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় বিমান চলাচল চালু রাখাটা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। আমরা চাই, এই বিষয়ে রাজ্য-কেন্দ্র হস্তক্ষেপ করুক।

Advertisement

বহু টালবাহানার পর ২০২৩ সালে কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে ৯ আসনের একটি উড়ান কোচবিহার-কলকাতার মধ্যে চলাচল করতে শুরু করেছিল। সেই বিমানের চাহিদা যথেষ্ট থাকায় প্রায় প্রতিদিনই টিকিট বিক্রি হয়ে যেত। নির্দিষ্ট সময়ে যাতায়াত করার কারণে বিমানটি যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের উড়ান প্রকল্পের সময়সীমা এক্ষেত্রে শেষ হয়ে যাওয়ায় নির্দিষ্ট সংস্থাটি ৩১ জানুয়ারির পর থেকে আর বিমান চালাবে না বলে জানিয়ে দেয়। এদিকে, নতুন কোনও সংস্থার সঙ্গে চুক্তিও হয়নি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ