সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: পাথরপ্রতিমার তৃণমূল বিধায়কের ডাকা বৈঠক ঘিরে তুমুল গন্ডগোল। এর জেরে বৈঠক ভেস্তে যায়। মঙ্গলবার পাথরপ্রতিমা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির সভাঘরে বিধায়ক সমীরকুমার জানা বৈঠক ডেকেছিলেন। সেই বৈঠকে জনপ্রতিনিধি ছাড়াও বিজেপির একাধিক সাংগঠনিক পদাধিকারী উপস্থিত ছিলেন।
কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার মুহূর্তে বিজেপির অন্য গোষ্ঠীর একদল কার্যকর্তা সভা ঘরে ঢুকে পড়েন। সভায় উপস্থিত ও আগত বিজেপি নেতারা বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। মুখে স্বীকার না করলেও, ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। সভা ঘরে ঢুকে পড়া বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, গোপনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সঙ্গে আঁতাঁত করার জন্য এই সভা ডাকা হয়েছে। সেই কারণে পাথরপ্রতিমা বিধানসভার বিজেপির দুইবারের প্রার্থী অসিত হালদারকে এই বৈঠকে ডাকা হয়নি।
পাথরপ্রতিমার মণ্ডল দুইয়ের সম্পাদক অরিন্দম মাইতি বলেন, ‘গোষ্ঠী কোন্দল নয়। কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ বিজেপিতে ঢুকে পড়েছে। তাঁরা তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বসে আঁতাঁত করছিলেন। এদিন তাঁরা ধরা পড়ে গিয়েছেন। এই বিষয়টি ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বদের জানানো হবে।’ অন্যদিকে, বৈঠকে উপস্থিত থাকা বিজেপি নেতা তথা পাথরপ্রতিমার কনভেনার নন্দলাল বারুই বলেন, ‘এটা কোনো গন্ডগোল নয়। অন্য বিজেপি নেতৃত্বদের বুঝতে ভুল হয়েছে। রাজ্য ও জেলা সভাপতি এবং সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীর নির্দেশে বিধায়কের ডাকা বৈঠকে উপস্থিত হয়েছিলাম। পাথরপ্রতিমার উন্নয়নের জন্য এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। দলীয় নেতৃত্বদের নির্দেশে ওখানে গিয়েছিলাম। ভুল বোঝাবুঝি থেকে এমন হয়েছে।’