ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্তির ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে রাজ্যের চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে চিঠি পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে কমিশনের কঠোর শাস্তির নিদানের বিপক্ষেই হাঁটল নবান্ন। সাসপেন্ড বা এফআইআর না করে সুদীপ্ত দাস এবং সুরজিৎ হালদারকে শুধু মাত্র সরিয়ে দেওয়া হল নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত কাজ থেকে। দুই আধিকারিকের কার্যকলাপ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করল নবান্ন। আর বাকি তিন জন (যাঁরা ডব্লিউবিসিএস আধিকারিক) তাঁদের ক্ষেত্রে এখনই কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার থেকে বিরত থাকল রাজ্য। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, এই আধিকারিকরা সকলেই ভীষণ দক্ষ এবং কাজের প্রতি আন্তরিক। ফলে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ছাড়া এনাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া অনুচিত। এতে সার্বিক ভাবে কর্মী-আধিকারিকজনরা যাঁরা রাজ্যের প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি নির্বাচন সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত তাঁদের মনোবলে আঘাত করবে।



