Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোট নিতে বাড়ি এলই না কমিশন, চরম হতাশ নবতিপর দুই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা

৮৫ বছরের বেশি বয়সি এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট নেওয়া শুরু হয়েছে শুক্রবার থেকে। কিন্তু উলুবেড়িয়া উত্তর বিধানসভার দুই প্রবীণ ভোটার আবেদন করেও ভোট দিতে পারলেন না। প্রচণ্ড হতাশ তাঁরা।

ভোট নিতে বাড়ি এলই না কমিশন, চরম হতাশ  নবতিপর দুই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা
  • ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ৮৫ বছরের বেশি বয়সি এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট নেওয়া শুরু হয়েছে শুক্রবার থেকে। কিন্তু উলুবেড়িয়া উত্তর বিধানসভার দুই প্রবীণ ভোটার আবেদন করেও ভোট দিতে পারলেন না। প্রচণ্ড হতাশ তাঁরা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ১৭৭ উলুবেড়িয়া উত্তর বিধানসভার ১০ নম্বর পার্টের রসপুর গ্রামের অরুণকুমার মিত্র (৯৩) এবং গৌরীবালা বসু (৯৫) বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে বাড়িতে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান। তাঁদের সঙ্গে আরও কয়েকজন আবেদন করেন। আবেদনের পর তাঁরা বাড়িতে বসে ভোট দিতে পারবেন বলে আশা করেছিলেন। মিত্র ও বসু পরিবারের বক্তব্য, ‘বাড়িতে ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হলেও আমাদের কাছে ভোটকর্মীরা আসেননি। ফলে আমরা হতাশ।’ অরুণবাবুর ছেলে অমিত মিত্র বলেন, ‘বাবা চলাফেরা করতে পারেন না। গত লোকসভা নির্বাচনে বাড়িতে বসেই ভোট দিয়েছিলেন।’ তাঁর মা বেলারানি মিত্রর বয়স ৮৭ বছর। তিনি বলেন, ‘বিএলও বাড়ি এসে নাম লিখে নিয়ে গিয়েছিলেন।’ অমিত মিত্র বলেন, ‘বিএলও এখান থেকে ছ’জনের নাম লিখে নিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু মাত্র দু’জনের নাম এসেছে। আমার মা-বাবার নাম আসেনি। ফলে ভোট দিতে পারলেন না। বিএলও সহ একাধিক ব্যক্তিকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেও কোনো সদুত্তর পাইনি।’
অন্যদিকে গৌরীবালা বসুর ছেলে আলয় বসু জানান, ‘মায়ের ৯৫ বছর বয়স। বিছানা থেকে নামতে পারেন না। বিএলও বাড়িতে এসে সব দেখেশুনে বাড়িতে ভোট নেওয়ার জন্য নাম লিখে নিয়ে যান। কিন্তু শুনতে পাচ্ছি, নাম কেটে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএলওকে জানালেও কোনো সুরাহা হয়নি।’ বিষয়টি জানতে সংশ্লিষ্ট বিএলও বিজয় দাসকে ফোন করা হয়। তবে সাংবাদিক পরিচয় শোনা মাত্র তিনি ফোন কেটে দেন। আমতা ১ নম্বর ব্লকের বিডিও ঋক গোস্বামী জানান, হতাশার কোনো কারণ নেই। সক্ষম অ্যাপের মাধ্যমে ওঁদের ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ