মুম্বই: দিনকয়েক আগে যন্তরমন্তরে বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালানো ও গণধর্ষণের নিদান দিয়েছিলেন আরএসএস নেতা টি জি মোহনদাস। এবার ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে সরব হলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অতুল লিমায়ে। তাঁর বক্তব্য, এটি শুধু বিজেপি বিরোধী নয়, দেশ ও সংবিধান বিরোধী আন্দোলন ছিল। অবিলম্বে এনিয়ে গভীরে পড়াশোনা ও গবেষণা করতে হবে। সবাই এই অরাজকতার ‘ব্যাকরণ’ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।
গত ৩০ জুলাই মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন অতুল। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আন্দোলনটিকে শুধুমাত্র বিচ্ছিন্ন তাৎক্ষণিক ঘটনা হিসাবে দেখলে চলবে না। পুরো প্রক্রিয়া, একের পর এক ঘটানাক্রম, বিক্ষোভের ভাবনা-আদর্শ, সাপোর্ট সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, নিত্যনতুন দৃষ্টিভঙ্গি সহ যাবতীয় বিষয় নিয়ে বিশদে পড়াশোনা করতে হবে। দিপকে অনলাইনে একটা আন্দোলন শুরু করেন। পরে দেশে ফিরে নানা শহরে ঘুরে বেড়ান। কিন্তু ততটা সমর্থন পাননি। যন্তরমন্তরে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর তা অন্য চেহারা নেয়। পড়ুয়াদের আন্দোলনে এসএফআই, আইসার মতো বামপন্থী সংগঠনের পাশাপাশি একাধিক মানবধিকার, নারী অধিকার, কৃষক, শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরাও যুক্ত হন। মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষও যোগ দেন। হিন্দু বিরোধী, দেশ বিরোধী স্লোগান ওঠে। এটি বিকল্প রাজনীতির প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠে। আসলে এই আন্দোলন সংবিধান বিরোধী।’ পালটা আক্রমণ শানিয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তাঁর কথায়, ‘যারা মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করেছে, তারাই আজ আমাদের দেশবিরোধী বলছে। কাউকে দেশবিরোধী বলে ডাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই আরএসএসের।’