সংবাদদাতা, শীতলকুচি: হাতে মোবাইল না দেওয়ায় অভিমান। গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রের। রবিবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় শীতলকুচি পশ্চিমপাড়া এলাকায়।
সংবাদদাতা, শীতলকুচি: হাতে মোবাইল না দেওয়ায় অভিমান। গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রের। রবিবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় শীতলকুচি পশ্চিমপাড়া এলাকায়।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম চয়ন রায় (১৪)। শীতলকুচি গোপীনাথ হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেণীতে পড়ত। মৃত পড়ুয়ার জেঠু কমলকুমার রায় জানান, ‘ওর মা বাজারে গিয়েছিল। বাজার থেকে আসার পরে মোবাইল দেয়নি। এই অভিমানে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে দেয়। পরে বেড়া ভেঙে ঘরে ঢুকলে তাকে ঝুলন্ত দেখতে পাই। আমরা সঙ্গে সঙ্গে ওকে উদ্ধার করে শীতলকুচি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।’ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে শীতলকুচি থানার পুলিস। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
একটা সামান্য বিষয়ের জন্য ছাত্রের এই কর্মকাণ্ডে হতবাক প্রতিবেশী এবং আত্মীয়স্বজনরা। শীতলকুচি থানার ওসি অ্যান্থনি হোড়ো জানান, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিস।