নয়াদিল্লি: সরাসরি উপভোক্তার কাছে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রশাসনিক মডেলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসোবে তুলে ধরা হয়। তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন লোক কল্যাণ মেলা, চিরঞ্জীবী যোজনা, মমতা অভিযান, ই-মমতা, কৃষি মহোৎসব, ই-ধারা, ই-গ্রাম বিশ্বগ্রাম, কন্যা কেলাবনি অভিযানের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে এই পদ্ধতির সূচনা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বা ডিবিটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরকারি সহায়তা পাঠানোর ব্যবস্থা সম্প্রসারিত হয়। কোভিডের সময় প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা চালু করা হয়। সরকারি হিসাবে বলা হয়েছে, বিভিন্ন খাতে ডিবিটির মাধ্যমে এখনও পর্যন্ত মোট ৫৩.৪৫ লক্ষ কোটি টাকা উপভোক্তাদের কাছে স্থানান্তর করা হয়েছে। কৃষকদের জন্য রয়েছে পিএম-কিষান, সয়েল হেলথ কার্ড, প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা এবং কিষান ক্রেডিট কার্ডের মতো প্রকল্প। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত পিএম-জয়, মিশন ইন্দ্রধনুষ ও পিএমএমভিওয়াই, পুষ্টিতে পোষণ অভিযান রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে পিএম আবাস যোজনাও। সেইসঙ্গে মহিলা ক্ষমতায়নে রয়েছে বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, লাখপতি দিদি, ব্যাংক সখী-র মতো প্রকল্প। দক্ষতা উন্নয়নে স্কিল ইন্ডিয়া ও পিএম কুশল বিকাশ যোজনার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই পদ্ধতি এখন পৃথক প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার বদলে পরিবারকেন্দ্রিক সমন্বিত উন্নয়ন এবং ‘স্যাচুরেশন’-এর দিকে এগোচ্ছে।



