নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তাঁর পুরনো ঘর এখন বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ খইরুল ইসলামের দখলে। বিকল্প হিসেবে বিডিও ভাঙড় দু’নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরাবুল ইসলামকে অন্য ঘরের ব্যবস্থা করে দেন। তাতে যেতে নারাজ তিনি। পুরনো ঘর ফিরে পেতে হাইকোর্টে মামলা করেছেন। মামলা না মেটা পর্যন্ত ঘর ফিরে পাবেন কি না, নিশ্চিত নয়। আর এসবের মধ্যেই বৃহস্পতিবার খোলা আকাশের নীচে অফিস খুলে বসলেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা আরাবুল ইসলাম। চেয়ার-টেবিল পেতে সেখানেই সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও এই পদক্ষেপকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তাঁর বিরোধী গোষ্ঠী।
Advertisement
আরাবুলের দাবি, তিনি একটানা ১২ বছর যে ঘরে বসে পঞ্চায়েত সমিতি চালিয়েছেন, সেই ঘর দখল করে নিয়েছে দলের এক কর্মাধ্যক্ষ। পুরনো ঘর ছাড়া অন্য কোথাও তিনি বসবেন না। এদিন সকালে এসেই ব্লক অফিসে ওঠার ঠিক আগে বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের সামনে ছেলে হাকিমুল ইসলাম সহ কিছু অনুগামীদের নিয়ে চেয়ারে বসে শুরু করেন কাজ। বহু মানুষ প্রয়োজনীয় কাজ নিয়ে সেখানে গিয়ে হাজির হন। কেউ সার্টিফিকেট সই করিয়ে যান, কেউ বিভিন্ন দাবিদাওয়া রাখেন।
অফিসের বাইরে পরিষেবা দিচ্ছেন সভাপতি, এমন ঘটনা এক প্রকার বেনজির বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। তাদের মতে, আরাবুলের বিরোধীগোষ্ঠী যতই তাঁকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করুক না কেন, তিনি যে তাতে দমে থাকতে নারাজ তা এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন। আরাবুলের সাফ কথা, ঘর পেতে তো কিছু সময় লাগবে। প্রথমে বিডিও সাহেবের ঘরে বসে কাজ করছিলাম কিন্তু তাতে দু’জনেরই অসুবিধা হচ্ছিল। তাই বাইরে বসেই মানুষকে পরিষেবা দিয়ে যাব। আরাবুলের এই পদক্ষেপ নিয়ে কী বলছে বিরোধী গোষ্ঠী? কর্মাধ্যক্ষ খইরুল ইসলামের বক্তব্য, ঘর কারও পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আমায় এই ঘর দেওয়া হয়েছে। আরাবুল এতদিন তোলাবাজ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এখন জানলাম, উনি নাটকবাজ।
অফিসের বাইরে পরিষেবা দিচ্ছেন সভাপতি, এমন ঘটনা এক প্রকার বেনজির বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। তাদের মতে, আরাবুলের বিরোধীগোষ্ঠী যতই তাঁকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করুক না কেন, তিনি যে তাতে দমে থাকতে নারাজ তা এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন। আরাবুলের সাফ কথা, ঘর পেতে তো কিছু সময় লাগবে। প্রথমে বিডিও সাহেবের ঘরে বসে কাজ করছিলাম কিন্তু তাতে দু’জনেরই অসুবিধা হচ্ছিল। তাই বাইরে বসেই মানুষকে পরিষেবা দিয়ে যাব। আরাবুলের এই পদক্ষেপ নিয়ে কী বলছে বিরোধী গোষ্ঠী? কর্মাধ্যক্ষ খইরুল ইসলামের বক্তব্য, ঘর কারও পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আমায় এই ঘর দেওয়া হয়েছে। আরাবুল এতদিন তোলাবাজ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এখন জানলাম, উনি নাটকবাজ।



