নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চিংড়িঘাটা মোড়ে যানজট নিত্য ঘটনা। নিক্কো পার্ক থেকে ইএম বাইপাসে উঠতে রুবিগামী গাড়িকে যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হয়। দীর্ঘক্ষণ সিগন্যালে দাঁড়িয়ে ভোগান্তি হয় নিত্যযাত্রীদের। এই পরিস্থিতিতে চিংড়িঘাটা মোড় সংলগ্ন রুবিগামী বাইপাসের রাস্তা চওড়া করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভা ও কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির উদ্যোগে সেই কাজ শুরুর প্রক্রিয়া চলছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার চিংড়িঘাটা মোড় পরিদর্শন করলেন কলকাতা পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা। কোন দিক থেকে রাস্তা বেরবে, কোন বাসিন্দাদের সরানো হবে, কাজের সময় গাড়ি মুভমেন্ট কীভাবে হবে, সবটা খতিয়ে দেখেন তিনি।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে খবর, ইএম বাইপাসে চিংড়িঘাটা মোড় ও সংলগ্ন রুবিগামী রাস্তা চওড়া করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চিংড়িঘাটা মোড়ে তিনটি বিল্ডিং রয়েছে। তার তলায় রয়েছে একাধিক দোকানও। ওই তিনটি বিল্ডিং ভাঙা পড়বে। সেখানকার বাসিন্দাদের কাছেই সরকারি জমিতে পুনর্বাসন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। চিংড়িঘাটা মোড় থেকে বাঁদিকে ওই জমির বাসিন্দাদের পুনর্বাসন দেওয়ার পর সেখানেই তৈরি হবে দু’লেনের চওড়া রাস্তা। পাশাপাশি কিছুদূর গিয়ে বাইপাসের উপরে ক্যাপ্টেন ভেড়ির মুখেই রয়েছে একটি কালভার্ট। খালের উপর সেই কালভার্টের পাশে আরও একটি ব্রেইলি ব্রিজ তৈরি করা হবে। যাতে চিংড়িঘাটা মোড় থেকে সহজেই গাড়িগুলি ভেড়ি পর্যন্ত বাইপাসের রাস্তায় সহজে উঠে পড়তে পারে। এদিন পুলিস কমিশনার গোটা জায়গাটি ঘুরে দেখেন। কোথায় কী কাজ হবে, নতুন রাস্তা তৈরির সময় ট্রাফিক মুভমেন্ট কী হবে, সবটাই আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পুসভার এক কর্তা বলেন, চিংড়িঘাটা মোড়ের কাছে বাইপাসের রাস্তা ‘চিকেনস নেক’-এর মতো। অপ্রশস্ত। তাই, ওই অংশে রাস্তা দু’লেনের করা হবে। এরপর যখন ক্যাপ্টেন ভেড়ির সামনে থেকে মেট্রোপলিটন-নিউটাউন নতুন উড়ালপুল তৈরির কাজ শুরু হবে, তখন এই রাস্তা দিয়ে সহজেই গাড়ি যাতায়াত করতে পারবে। পাশাপাশি চিংড়িঘাটায় প্রস্তাবিত উড়ালপুলের একটি থাম বসবে। তখন গাড়ির অভিমুখও বদল করতে হতে পারে। সেই সময় চওড়া রাস্তার প্রয়োজন। সেই সমস্যা থেকে বাঁচতে রুবিগামী রাস্তা আরও চওড়া করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।



