নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: ডাকাতির আগেই ঝাড়খণ্ডের একটি ডাকাত দলকে গ্রেপ্তার করল চণ্ডীতলা থানার পুলিস। হুগলি জেলা গ্রামীণের পুলিসের সুপার কামনাশিস সেন নিজে ওই অভিযানে ছিলেন। সোমবার গভীর রাতে চণ্ডীতলার চিকরণ এলাকা থেকে ওই ডাকাতদের পুলিস গ্রেপ্তার করে। আটজনের ওই ডাকাত দলের সিংহভাগই ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। পাশাপাশি ওই দলে পুরুলিয়ার কয়েকজন দুষ্কৃতীও ছিল। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র ও ডাকাতির সরঞ্জাম মিলেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত একটি শিল্পাঞ্চলে হানা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তারা হুগলিতে এসেছিল। ধৃতরা একটি চারচাকার গাড়ি ও একটি বাইক নিয়ে এসেছিল।
Advertisement
ডাকাত দলকে ধরতে পারলেও ঝাড়খণ্ড থেকে তারা হুগলি পর্যন্ত চলে আসায় পুলিস মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই ঘটনাকে নিয়ে অভিজ্ঞ পুলিস কর্তারা চর্চা শুরু করেছেন। বিষয়টি উঠে এসেছে হুগলি জেলা গ্রামীণের পুলিস সুপার কামনাশিস সেনের কথাতেও। তিনি বলেন, ঠিক কী কারণে ঝাড়খণ্ড থেকে ডাকাতদের হুগলিতে আসতে হল, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। ভিন রাজ্য থেকে অসামাজিক কাজ করতে আসা দুষ্কৃতীদের রুখে দিতে জেলা গ্রামীণ পুলিস সতর্ক রয়েছে। আমরা বিশেষ সারপ্রাইজ নাকা চেকিং চালু করেছি। তা এই ধরনের অপরাধমূলক কাজ রুখতে কার্যকরী ভূমিকা নেয়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই দলে আরও কেউ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বেঙ্গল এসটিএফ জেলার গ্রামীণ পুলিসকে ভিন রাজ্যের ডাকাত দলের বিষয়ে তথ্য দিয়েছিল। তারপরেই পুলিস সুপার নিজে অভিযানে নামেন। গভীর রাতে চণ্ডীতলার চিকরণ থেকে পুরো ডাকাত দলকে পাকড়াও করে পুলিস। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা একটি চারচাকার গাড়ি নিয়ে এসেছিল। তার নম্বর প্লেটটি সন্দেহজনক ছিল। পরে দেখা যায়, গাড়িতে আরও একাধিক নম্বর প্লেট রাখা আছে। নম্বর প্লেট নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় যাত্রীদের পুলিস জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করে। তখনই সন্দেহ গাঢ় হয়। তারপর যাত্রীদের দেহ তল্লাশি করে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়। সেগুলি পুলিস বাজেয়াপ্ত করেছে। তারমধ্যে দু’টি সেভেন এমএম পিস্তল ও একটি পাইপগান ছিল। ততক্ষণে পুলিসের অন্য একটি দল বাইক আরোহী আরও দুই ডাকাতকে কব্জায় নেয়। ধৃতদের কাছ থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি পাওয়া গিয়েছে। রাতেই ধৃতদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসে। তারপর ঝাড়খণ্ড থেকে ডাকাত দলের হুগলিতে আসা নিয়ে পুলিস মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, টার্গেট নির্দিষ্ট করেই ওই ডাকাতরা হুগলিতে এসেছিল।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বেঙ্গল এসটিএফ জেলার গ্রামীণ পুলিসকে ভিন রাজ্যের ডাকাত দলের বিষয়ে তথ্য দিয়েছিল। তারপরেই পুলিস সুপার নিজে অভিযানে নামেন। গভীর রাতে চণ্ডীতলার চিকরণ থেকে পুরো ডাকাত দলকে পাকড়াও করে পুলিস। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা একটি চারচাকার গাড়ি নিয়ে এসেছিল। তার নম্বর প্লেটটি সন্দেহজনক ছিল। পরে দেখা যায়, গাড়িতে আরও একাধিক নম্বর প্লেট রাখা আছে। নম্বর প্লেট নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় যাত্রীদের পুলিস জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করে। তখনই সন্দেহ গাঢ় হয়। তারপর যাত্রীদের দেহ তল্লাশি করে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়। সেগুলি পুলিস বাজেয়াপ্ত করেছে। তারমধ্যে দু’টি সেভেন এমএম পিস্তল ও একটি পাইপগান ছিল। ততক্ষণে পুলিসের অন্য একটি দল বাইক আরোহী আরও দুই ডাকাতকে কব্জায় নেয়। ধৃতদের কাছ থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি পাওয়া গিয়েছে। রাতেই ধৃতদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসে। তারপর ঝাড়খণ্ড থেকে ডাকাত দলের হুগলিতে আসা নিয়ে পুলিস মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, টার্গেট নির্দিষ্ট করেই ওই ডাকাতরা হুগলিতে এসেছিল।



