Bartaman Logo
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরই দায়িত্ব বণ্টন করতে হবে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষকে, জানাল এজেন্সি

এজেন্সির অস্থায়ী কর্মীদের ডিউটি রোস্টার মানার দায়িত্ব উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। এজেন্সির কর্মকর্তাদের এই বক্তব্যে মেডিক্যালে এজেন্সির অস্থায়ী কর্মীদের কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে নানা অসঙ্গতি দিকটি উঠে আসছে।

চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরই দায়িত্ব বণ্টন করতে হবে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষকে, জানাল এজেন্সি
  • ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: এজেন্সির অস্থায়ী কর্মীদের ডিউটি রোস্টার মানার দায়িত্ব উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। এজেন্সির কর্মকর্তাদের এই বক্তব্যে মেডিক্যালে এজেন্সির অস্থায়ী কর্মীদের কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে নানা অসঙ্গতি দিকটি উঠে আসছে। 
Advertisement
মঙ্গলবার অস্থায়ী কর্মীদের একাংশ লেবার রুমে রোটেশনের ভিত্তিতে ডিউটি দেওয়ার দাবিতে সুপারকে স্মারকলিপি দেন। তার প্রেক্ষিতে সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেছিলেন, এজেন্সির কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের নির্দেশ মতো রোস্টার মানছেন না। লেবার রুমে দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা কাজ করছেন তাঁরা সেখানে নতুনদের কাজ করতে দিচ্ছেন না। এর দায়িত্ব এজেন্সিকে নিতে হবে। 
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এজেন্সি বদল হলেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসা কর্মীরাই সেই এজেন্সির হয়ে কাজ করে আসছেন। এদের সাফাই কর্মী হিসেবে নেওয়া হলেও অনেককে দিয়েই টিকিট কাউন্টার, স্টোর, ফার্মেসি সহ অফিসের শূন্যপদে কাজ করানো হয়। কে কোথায় কাজ করবে এটা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঠিক করে। 
সংশ্লিষ্ট এজেন্সির অন্যতম কর্মকর্তা অনিমেষ দাস বলেন, লেবার রুম, সিসিইউ, এসএনসিউ’র মতো কিছু জায়গা রয়েছে যেখানে অভিজ্ঞদের দিয়েই কাজ করানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসার ফলে যাঁরা অভিজ্ঞ তাঁদেরকেই সেখানেই কাজ করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনাও হয়েছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য বলে আমি সম্মতি জানিয়েছিলাম। কাজেই কে কোথায় ডিউটি করবে, হাসপাতালের নির্দেশ মেনে কাজ করছে কি না, তা দেখার জন্য হাসপাতালের তরফে একজনকে আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া রয়েছে। আমার কাজ চুক্তি মতো প্রতিদিন ২৮৮ জন কর্মী সরবরাহ করা। কাজেই এক্ষেত্রে এজেন্সির কোনও ভূমিকা নেই। 
তিনি আরও বলেন, সরকারি অফিসের কোনও কর্মচারী চাইলেই তাঁর পছন্দমতো কোনও পদে কাজ করতে পারেন না। চুক্তির এই অস্থায়ী কর্মীদের ক্ষেত্রেও সেটাই প্রযোজ্য। তাই এনিয়ে  কেউ আন্দোলন করলে সেই বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই দেখতে হবে। এ বিষয়ে বুধবার সুপার বলেন, এটা একটা টিম গেম। দায়িত্ব সকলের। আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা হবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ